| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

উজিরপুরে সংবাদ প্রকাশের পর পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের হুমকি প্রকৌশলীর!

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ২৮, ২০২৬ ইং | ২০:০২:৩৫:অপরাহ্ন  |  ৫৪০ বার পঠিত
উজিরপুরে সংবাদ প্রকাশের পর পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের হুমকি প্রকৌশলীর!

উজিরপুর প্রতিনিধি: বরিশালের উজিরপুরে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া ছাড়াই অসহায় পরিবারের পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগের পর এবার পারিবারিক কবরস্থান উচ্ছেদের নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে। কবরস্থান সরিয়ে না নিলে তা গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

অভিযোগ রয়েছে, ধামুড়া-শোলক সড়কের সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে জমি অধিগ্রহণ ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি বলে দাবি জমির মালিকদের। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর কবরস্থান সরিয়ে নেওয়ার জন্য তাদের ওপর বারবার চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আঃ রব ও মাসুমসহ একাধিক জমির মালিক জানান, জমি অধিগ্রহণ ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না দিয়েই তাদের পৈতৃক জমি দখলের চেষ্টা করা হচ্ছে। 

২৮ আগষ্ট (শুক্রবার) ধামুরার এনায়েত শরীফ নামে এক ব্যক্তি সহ আরো কয়েকজন প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের পক্ষে এসে হুমকি দেন। একই সঙ্গে পারিবারিক কবরস্থান সরিয়ে নেওয়ার জন্য বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং উচ্ছেদের হুমকিও দেওয়া হচ্ছে। তারা বলেন, “বাবা-মায়ের কবর সরিয়ে কোনো উন্নয়ন আমরা চাই না। জমি প্রয়োজন হলে আইন অনুযায়ী অধিগ্রহণ ও ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।”

ভুক্তভোগীদের দাবি, ওই কবরস্থানে তাদের বাবা-মা ও পূর্বপুরুষদের কবর রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিকভাবে তারা কবরস্থানটি সংরক্ষণ করে আসছেন। হঠাৎ করে কবরস্থান সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশে পরিবারটি চরম আতঙ্ক ও অসহায়ত্বের মধ্যে রয়েছে। তাদের অভিযোগ, নির্দেশ না মানলে কবরস্থান গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।

সূত্রে জানা গেছে, ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুর কাজ দেড় বছর আগে শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় সেতুটি এখনো কার্যত অকেজো। সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার পর প্রয়োজনীয় জমি নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। জমির মালিকদের অভিযোগ, আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই তাদের জমি ব্যবহারের চেষ্টা চলছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার ও জমির মালিকরা জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে জমির মালিকানা, প্রকল্পের নকশা ও জমি অধিগ্রহণের কাগজপত্র যাচাই করে সরেজমিন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪