| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সাংবাদিক কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে ক্র্যাবের আল্টিমেটাম

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ০১, ২০২৬ ইং | ২২:৩৩:৪৬:অপরাহ্ন  |  ৯৬ বার পঠিত
সাংবাদিক কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে ক্র্যাবের আল্টিমেটাম

স্টাফ রিপোর্টার: ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেও মামলায় আসামি করার অভিযোগ তুলে অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ক্র্যাব) সাবেক সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। একইসঙ্গে মামলা দায়েরের আগে যথাযথ তদন্ত হয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) চত্বরে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে পুলিশকে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেয় ক্র্যাব। এ সময়ের মধ্যে মামলা থেকে কামরুজ্জামান খানের নাম বাদ দেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দেন সংগঠনের নেতারা।

কামরুজ্জামান খান বর্তমানে ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার। তার বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, কামরুজ্জামান খান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। মামলা দায়েরের সময় তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে ছিলেন। এরপরও তাকে মামলার আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে তার নাম প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা।

ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমালের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম লাভলু, সারোয়ার আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক নিহাল হাসনাইন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক হাবিবুল্লাহ মিজান, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার আরিফ, অর্থ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সিনিয়র সদস্য ইকরামুল কবির টিপু, ইসমাইল হোসেন ইমু, সাইফুল ইসলাম, নাদিয়া শারমিন, সাইফুল জুয়েল, গোলাম মোস্তফা ধ্রুব, সুশান্ত সাহাসহ অনেকে বক্তব্য দেন।

এ ছাড়া মানববন্ধনে সংগঠনের সাবেক সভাপতি এস এম আবুল হোসেন, সাবেক সহ-সভাপতি সাব্বির মাহমুদসহ বর্তমান নেতা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল বলেন, কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে সাজানো ও মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। মামলা দায়েরের সময় তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টারে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। এমন অবস্থায় কীভাবে তাকে মামলায় আসামি করা হলো, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, মামলা দায়েরের আগে যথাযথ তদন্ত করা হয়েছিল কিনা, সেটিও খতিয়ে দেখা দরকার। 

দ্রুত মামলা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে ক্র্যাবের সভাপতি বলেন, ১০ দিনের মধ্যে কামরুজ্জামান খানের নাম বাদ দেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। 

ক্র্যাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম লাভলু বলেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাজানো মামলা, নির্যাতন ও হয়রানির প্রতিবাদে অতীতেও সাংবাদিকদের রাজপথে দাঁড়াতে হয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আবারও একজন সহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজপথে দাঁড়াতে হচ্ছে, যা দুঃখজনক।

তিনি আরও বলেন, কোনো মামলা দায়েরের আগে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাই করা হয় বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে সেই তদন্ত হয়েছিল কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কীভাবে এবং কার প্ররোচনায় মামলাটি হয়েছে, তা তদন্তেরও দাবি জানান তিনি।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা কারও প্রতিদ্বন্দ্বী বা শত্রু নন। দেশ ও মানুষের স্বার্থে সত্য তুলে ধরাই তাদের দায়িত্ব। পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে কোনো সাংবাদিককে হয়রানি করা উচিত নয়।

তারা আরও বলেন, কোনো ব্যক্তিকে মামলায় আসামি করার আগে তিনি ঘটনাস্থলে ছিলেন কিনা, তা যাচাই করা প্রয়োজন। যথাযথ তদন্ত ছাড়া কামরুজ্জামান খানের নাম মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

মানববন্ধন থেকে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধ, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত এবং কামরুজ্জামান খানের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪