| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

তিতাসে নির্মাণ শ্রমিক খুন: মোংলা থেকে দুই আসামি গ্রেফতার

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ০৩, ২০২৫ ইং | ০৮:৫৯:৫৫:পূর্বাহ্ন  |  ১৭৪০১৩৬ বার পঠিত
তিতাসে নির্মাণ শ্রমিক খুন: মোংলা থেকে দুই আসামি গ্রেফতার
ছবির ক্যাপশন: কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় নির্মাণ শ্রমিক মোস্তফাকে হাত-পা বেঁধে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় জড়িত দুই অভিযুক্তকে বাগেরহাটের মোংলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক :

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় নির্মাণ শ্রমিক মোস্তফাকে হাত-পা বেঁধে নির্মমভাবে হত্যা করার ঘটনায় জড়িত দুই অভিযুক্তকে বাগেরহাটের মোংলা এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

র‌্যাবের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহত মোস্তফা (৫৫), পিতা-মৃত বাহারাম আলী, রংপুরের মাহিগঞ্জ থানার ছোট কল্যানী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন এবং চুক্তিভিত্তিক নির্মাণকাজ করতেন।

গত ২৮ জুন দিবাগত রাতে কুমিল্লার তিতাস উপজেলার পূর্ব ভাটিপাড়ার একটি নির্মাণাধীন ভবনে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে ৩০ জুন তিতাস থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন (মামলা নম্বর: ২২, ধারা: ৩০২/৩৪ পেনাল কোড)। ঘটনার পরপরই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

র‌্যাব জানায়, ঘটনাটি তদন্তে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। পরবর্তীতে প্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১ ও র‌্যাব-৬ এর যৌথ অভিযান চালিয়ে ২ জুলাই বাগেরহাটের মোংলা ইপিজেড এলাকা থেকে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তারা হলো— মো. মোস্তাকিম হোসেন ওরফে নাইম (২০), পিতা-গোলাম মোর্তুজা এবং আহমাদুল্লাহ ওরফে বাবু (রিফাত) (২১), পিতা-নওশাদ আলী। উভয়ের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ধাইনগর ও বামনগ্রাম এলাকায়।

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

র‌্যাব জানায়, নিহত মোস্তফা তাদের দু’জনকে নির্মাণকাজে সহকারী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। ২১ জুন থেকে তারা তিতাসে কাজ শুরু করে। ২৮ জুন কাজ শেষে মজুরি সংক্রান্ত বিষয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তারা মোস্তফার উপর চড়াও হয়। প্রথমে তার হাত-পা বেঁধে চোখে রড দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে ফেলে। এরপর গামছা ও স্কচটেপ দিয়ে মুখ ও চোখ পেঁচিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে মোস্তফা অচেতন হয়ে পড়লে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায় এবং মোংলায় গিয়ে আত্মগোপনে থাকে।

গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লার তিতাস থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।


.

রিপোর্টার্স২৪/এস

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪