কূটনৈতিক রিপোর্টার : অনেক সিনিয়রকে ডিঙ্গিয়ে তাকে আনা হয়েছিল নীরবে। বিএনপি কানেকশনকে কাজে লাগিয়েছিল তার সুহৃদরা। কিন্তু তিনি টিকতে পরলেন না। ৮ মাসের মাথায় তাকে বিদায় নিতে হচ্ছে অনেকটা নিঃশব্দে!
গত বছরের ৮ই সেপ্টেম্বর মো. জসীম উদ্দিনের নাম নতুন পররাষ্ট্র সচিব হিসেবে জুড়ে দেয়া হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে। তখনো সাইটে তার নিয়োগ সংক্রান্ত অফিস আদেশের কপি যুক্ত হয়নি। পরদিন চুপিসারে দায়িত্বও নিয়ে নেন।
সরকারি সূত্রের খবর এই কয়েক মাসে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছেন জসীম। এ জন্য তাকে সরিয়ে দেয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। স্মরণ করা যায়, জসীম উদ্দিনের চাকরি আছে এখনো পাক্কা দেড় বছর। তাকে সচিবের পদ থেকে সরিয়ে আবারও রাষ্ট্রদূত করা হচ্ছে। আগামী বছরের ১২ই ডিসেম্বর তার অবসরোত্তর ছুটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
সচিব হওয়ার আগে তিনি চীনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তার আগে কাতার এবং গ্রিসে রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পাালন করেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিসিএস পররাষ্ট্র ক্যাডারের ত্রয়োদশ ব্যাচের কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন নয়াদিল্লি, টোকিও, ওয়াশিংটন ডিসি এবং ইসলামাবাদে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
এছাড়া, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়া এবং পূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অনুবিভাগের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দায়িত্বে ছিলেন তিনি। কনস্যুলার পরিষেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনায় রাষ্ট্রদূত জসীম উদ্দিনের নেতৃত্বে এথেন্সের বাংলাদেশ দূতাবাস ২০১৮ সালে ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে জনপ্রশাসন পুরস্কারও পায়।