| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু, ৩ আসামির বাড়িতে আগুন

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ১১, ২০২৫ ইং | ০০:০০:০০:পূর্বাহ্ন  |  ২৬৫৫১৪১ বার পঠিত
ছুরিকাঘাতে যুবকের মৃত্যু, ৩ আসামির বাড়িতে আগুন
ছবির ক্যাপশন: গাজীপুরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তের বাড়িতে আগুন দেয়। এতে বাড়ির সবকিছু পুড়ে গেছে

গাজীপুর প্রতিনিধি : 

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় ধানের জমিতে পানি দেওয়াকে কেন্দ্র করে নাজমুল হক (৩৫) নামে এক যুবকের ছুরিকাঘাতে মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১০ মে) রাতে ওই যুবকের দাফন শেষে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তিনটি বাড়িতে আগুন দিয়েছে উত্তেজিত এলাকাবাসী। আগুনে ঘরে থাকা আসবাবপত্রসহ সব মালামাল পুড়ে গেছে।

নিহত নাজমুল হক উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের যোগীরসিট গ্রামের কৃষক মোছলেম উদ্দিনের ছেলে। তিনি গাজীপুর সদরের ওয়েলডান অ্যাপারেলস লিমিটেডে সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিহত নাজমুলের চাচা হাবিজ উদ্দিন বাদী হয়ে শ্রীপুর থানায় ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযুক্তরা হলেন- উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের যোগীরসিট গ্রামের আল আমিন (১৯), রাকিব (২৫) এবং ফেরদৌস মিয়া (১৮), ওমর ফারুক মিয়া (৪০)। ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আহতের ঘটনার পরপর যদি পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তার করতো তাহলে আসামিদের বসতবাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটতো না। আহত নাজমুল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১০ মে) রাতে গ্রামের বাড়িতে নাজমুলের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়। দাফনের পূর্বে জানাজায় উপস্থিত মুসল্লিদের উস্কে দিয়ে অনেকে বক্তব্য দেয়। দাফন সম্পন্ন হওয়ার পরপরই উত্তেজিত এলাকাবাসী আসামি আল আমিন, তার চাচা বাবুল ও স্বপন মিয়ার বসতবাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়। বাড়ি তালাবদ্ধ থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে আগুনে বসতঘরে থাকা সব আসবাবপত্র পুড়ে গেছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ১ মে দুপুরে জমিতে পানি দেওয়া নিয়ে নাজমুল ও একই গ্রামের রানা মিয়ার ছেলে আল আমিনের (১৮) মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। ওই দিন রাত ৯টার দিকে আল আমিন ধারালো ছুরি দিয়ে নাজমুলকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ মে রাত ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। গতকাল রাত সাড়ে ৯টায় জানাজা ও দাফনের পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে আল আমিন ও তার দুই চাচা বাবুল মিয়া ও ওমর ফারুকের বাড়িতে উত্তেজিত জনতা আগুন দেন।

কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোমেনুল কাদের বলেন, “আগুন লাগার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে দেখি তিনটি বাড়ির সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বাদী-বিবাদীরা একে অপরকে দোষারোপ করছে। বিষয়টি আমি পুলিশকে জানিয়েছি।”

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, “হত্যার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। বাড়িতে আগুন লাগার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।


.

রিপোর্টাস২৪/এস

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪