| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের পাশে চীন : মোদিকে শি-এর সমর্থন

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৫ ইং | ১৪:০৯:৫১:অপরাহ্ন  |  ১৫৮৬৮৯১ বার পঠিত
সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ভারতের পাশে চীন : মোদিকে শি-এর সমর্থন

আশিস গুপ্ত, নতুন দিল্লি : ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিসরি রোববার তিয়ানজিনে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের ফাঁকে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে জানান যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে বৈঠকে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের বিষয়টি উত্থাপন করেছেন এবং এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বেইজিং-এর সহযোগিতা চেয়েছেন। 

বিক্রম মিসরি বলেন, এই ইস্যুতে চীনা পক্ষ ভারতকে তাদের সমর্থন জানিয়েছে।পররাষ্ট্র সচিবের মতে, প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং প্রেসিডেন্ট শি-এর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে সন্ত্রাসবাদ একটি অগ্রাধিকারের বিষয় ছিল। মোদি আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদকে একটি প্রধান উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন যে এটি ভারত ও চীন উভয়কেই প্রভাবিত করে। তিনি উভয় দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। 

মিসরি জানান, প্রধানমন্ত্রী খুব স্পষ্টভাবে তার অবস্থান তুলে ধরেছেন এবং বলেছেন যে ভারত ও চীন উভয়ই এই সমস্যার শিকার। তিনি চীনের কাছে সহায়তা চেয়েছেন, এবং চীনা পক্ষ সেই সমর্থন দিয়েছে। বিক্রম মিসরিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান যে দুই নেতা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং এর থেকে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন। মোদি ও শি উভয়ই আন্তর্জাতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে সচেতন ছিলেন, তবে তাদের আলোচনার মূল ফোকাস ছিল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর। 

মিসরি বলেন, "তারা এই পরিস্থিতিকে কীভাবে নিজেদের মধ্যে বৃহত্তর বোঝাপড়া তৈরি করতে এবং ভারত ও চীনের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা যায়, সেদিকে নজর দিয়েছেন।" পররাষ্ট্র সচিব আরও জানান যে, ভারত ও চীনের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট পরিষেবা খুব শিগগিরই পুনরায় চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। 

গত কয়েক মাস ধরে উভয় পক্ষই এ বিষয়ে "নিবিড় আলোচনা" চালিয়ে আসছে এবং একটি ব্যাপক ঐকমত্যে পৌঁছেছে। সম্প্রতি ভারতীয় সিভিল এভিয়েশনের একটি প্রতিনিধিদল বেইজিং সফর করে আলোচনাকে আরও এগিয়ে নিয়ে গেছে। বিক্রম মিসরি জানান, এয়ার সার্ভিস চুক্তি, সময়সূচি এবং ক্যালেন্ডার সংক্রান্ত কিছু কার্যনির্বাহী বিষয় বাকি রয়েছে, যা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সমাধান করা হবে।ভারত ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বিক্রম মিসরি স্বীকার করেন যে এটি এখনও "অনেক বড় এবং বিদ্যমান" এবং বহু বছর ধরে এ নিয়ে আলোচনা চলছে। 

তিনি জানান যে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর সাম্প্রতিক দিল্লি সফরের সময়ও এই বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনায় এসেছে। মিসরি বলেন, "উভয় দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য এবং ঘাটতি কমে এলে সম্পর্কের ধারণায় পরিবর্তন আসবে।" তিনি আরও জানান যে এই আলোচনা সরকার, ব্যবসা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে বহু স্তরে হচ্ছে এবং এর ফলাফল নির্ভর করবে প্রক্রিয়াটি কীভাবে এগিয়ে যায় তার ওপর।


রিপোর্টার্স২৪/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪