সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
১৯৭৩ সালে সমবায় ভিত্তিক রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটার একটি দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাত করন কারাখানা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে গড়ে ওঠে শত শত গরুর খামার। গরুর খামার একসময় ছড়িয়ে পড়ে সারা জেলাতেই। এ সকল গো-খামারে প্রতি বছরই ঈদ-উল-আযহা সামনে রেখে ব্যাপক ভাবে ষাড় মোটাতাজাকরন করা হয়।
জেলার চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবছরেই এ জেলায় মোটাতাজা করা কোরবানির পশু দেশের বিভিন্ন হাট বাজারে বিক্রি করা হয়। এ বছরেও প্রানী সম্পদ বিভাগের দেয়া প্রশিক্ষন নিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে ধানের খর, সবুজ ঘাস, বিভিন্ন প্রকারের ভুষি, খোল ও কিছু ভিটামিন খাইয়ে ষাড় মোটা তাজাকরন করছে খামারিরা।
প্রতি বছরের তুলনায় এবার গো-খাদ্যের দাম বেড়েছে প্রতি বস্তায় তিন থেকে চারশো টাকা। ফলে ষাড় মোটাতাজাকরনের ব্যায় বেড়েছে খামারিদের। এ বছরে উচ্চমুল্যের গো-খাদ্য খাইয়ে মোটাতাজা করা ষাড় সঠিকমুল্যে বিক্রি করতে পারলে লাভের আশা করছেন তারা। কিন্তু কোরবানির পশুর হাটে যদি ভারতীয় গরু অবাধে বিক্রির সুযোগ দেয়া হয় তাহলে দেশীয় কোরবানির পশুর নায্য দাম না পাওয়ার আশংকা করছেন প্রান্তিক খামারিরা।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এ কে এম আনোয়ারুল হক জানান, চলতি বছরে সিরাজগঞ্জে ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ষাড়সহ মোট ৬ লক্ষ ৯৫ হাজার পশু মোটাতাজা করা হয়েছে।
বৈধ-অবৈধ পথে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ করাসহ মোটাতাজাকরা ষাড়ের নায্যমুল্য নিশ্চিতে কার্য্যকর ব্যাবস্থা গ্রহন করবে সরকার এমনটাই প্রত্যাশা এ অঞ্চলের গো-খামারিদের।
.
রিপোর্টার্স২৪/এস