| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নারী সহকর্মীর ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে কনস্টেবল পুলিশ হেফাজতে

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০১, ২০২৬ ইং | ২০:৩৮:৩৪:অপরাহ্ন  |  ১০১৬ বার পঠিত
নারী সহকর্মীর ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে কনস্টেবল পুলিশ হেফাজতে

স্টাফ রিপোর্টার: ‎নারী সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকাকালীন ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর রমনা থানায় পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এক নারী পুলিশ কনস্টেবল এ মামলা করেছেন।  

শুক্রবার (১ মে) বিকেলে অভিযুক্ত কনস্টেবল মিজানুর রহমান লিটনকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশের একটি সূত্র। তবে তাকে হেফাজতে নেওয়ার ঘটনা অস্বীকার করেছে রমনা থানা পুলিশ।  

‎এ ঘটনায় গত ১৫ এপ্রিল রমনা থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী কনস্টেবল। ‎মামলার অভিযোগে বলা হয়, মিজানুর রহমান লিটনের সঙ্গে ২০১৭ সাল থেকে ওই নারী কনস্টেবলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরপর ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের বিয়ের দিন ধার্য হয়। বিয়ের আগের দিন ওই নারী জানতে পারেন লিটনের স্ত্রীসহ দুজন সন্তান আছে। 

নারী কনস্টেবলের অভিযোগ, লিটন তার স্ত্রী-সন্তানের বিষয় গোপন রেখে তার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করে এবং বিয়ের তারিখ ঠিক করে। স্ত্রী-সন্তানের বিষয়টি জানার পর ওই নারী বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। তখন লিটন ক্ষিপ্ত হয়ে দুজনের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেবে বলে হুমকি দেয়। 

‎পরবর্তীতে ২০২২ সালে ওই নারী অন্যত্র বিয়ে করে ঘর-সংসার করে আসছিলেন। এমন অবস্থায় মামলা করার প্রায় চার মাস আগ থেকে লিটন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া আইডি, ম্যাসেঞ্জার, ইমু এবং ‘মেঘলা আকাশ’ নামে টিকটক আইডি ছাড়াও বিভিন্ন বেনামি আইডি থেকে কিছু ব্যক্তিগত ভিডিও ও ছবি ছেড়ে দেয়। ওই নারীর স্বামী, শ্বশুর বাড়ির লোকজনসহ বিভিন্ন আত্মীয়-স্বজনের কাছেও সেসব ছবি-ভিডিও পাঠানো হয়। 

ওই নারী আরও জানান, গত ১৩ এপ্রিল রাত আনুমানিক ৮টার পর রমনা মডেল থানার মৌচাক মার্কেটের সামনে অবস্থানকালে জানতে পারেন লিটন তার ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার থেকে ব্যক্তিগত ছবি ভুক্তভোগী নারীর ভাইয়ের আইডিতে পাঠিয়েছেন। তার এমন কার্যকলাপে সাংসারিকজীবনে স্বামী এবং শ্বশুর বাড়ির লোকজনের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ধরনের ঝামেলা তৈরি হয় এবং ওই নারীর পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছে সম্মানহানি হচ্ছে। 

ভুক্তভোগী বলেন, ‘বর্তমানে আমার স্বামী আমার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে চাচ্ছে না। এ ঘটনার বিষয়ে আমি আমার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা করতে বিলম্ব  হয়েছে।’ 

এ ঘটনায় রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাহাত খান বলেন, ‘আমাদের থানায় এমন কোনো অভিযোগ কিংবা মামলা হয়নি। এমন ঘটনায় কোনো পুলিশ সদস্যকে আমরা হেফাজতে নেইনি।’

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪