জামালপুর প্রতিনিধি: জামায়াতে ইসলামী জামালপুর জেলা শাখার উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়ন ও জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, প্রত্যেক ভোটারের মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে পিআর পদ্ধতির বিকল্প নেই। শনিবার (১১ অক্টোবর) জামালপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে অংশ নেন রাজনীতিবিদ, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।
এতে বক্তারা আরো বলেন, ‘পিআর পদ্ধতিতে ভোটের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে রাজনীতিতে পেশীশক্তির ব্যবহার, রাজনৈতিক , দুর্বৃত্তায়ন,কালো টাকার প্রভাব কমে যাবে।
এছাড়া এই পদ্ধতিতে প্রত্যেক ভোটের প্রতিফলন সংসদে সঠিকভাবে ঘটে। একজন ভোটার যখন ভোট দেন, তিনি আশা করেন, তার মত বা আদর্শের প্রতিনিধিত্ব সংসদে থাকবে। কিন্তু বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতিতে এর প্রতিফলন নেই ।
যিনি শুধু সবচেয়ে বেশি ভোট পান, তিনিই বিজয়ী হন। যদি একটি নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থী ৪০ শতাংশ ভোট পান এবং বাকি ৬০ ভাগ ভোট অন্যদের মধ্যে বিভক্ত থাকে, তবু তিনিই নির্বাচিত হন। এর মানে হচ্ছে, ৬০ শতাংশ ভোটারের কোন মুল্য নেই।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য ও জামালপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুস সাত্তার ও জামালপুর জেলা সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আব্দুল আওয়াল। সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ সুলতান মাহমুদ এর সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরার সদস্য, সাবেক জেলা আমীর জামালপুর-১ আসনের জামায়াত মনোনীত এমপি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট নাজমুল হক সাঈদী, ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি মাওলানা মুফতি মোস্তাফা কামাল, জামালপুর প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ কাফি পারভেজ, দ্যা ডেলি ফ্রন্ট নিউজ এর সম্পাদক মো: মেহেরুল্লাহ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, অ্যাডভোকেট শওকত আলী প্রমূখ।
বক্তারা আরো বলেন, ‘জাতীয় ভাবে যদি কোনো দল ১ শতাংশ ভোট পায়, তাহলে সেই দল ৩ টি আসন পাবে। পিআর পদ্ধতিতে প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে সংসদে আসন বরাদ্দ হয়। ছোট, ছোট রাজনৈতিক দলও সংসদে প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পায়। এতে রাজনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়বে।’
রিপোর্টার্স২৪/প্রীতিলতা