রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা যত সংস্কারের কথা বলি না কেন—সবার আগে মানসিক সংস্কার করতে হবে। এর ব্যত্যয় ঘটলে আমরা কিন্তু সেই সংস্কারকে আইনে রূপান্তর করতে পারবো না।’
আজ বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) উদ্যোগে ‘চব্বিশোত্তর বাংলাদেশে তারুণ্যের ভাবনায় শিক্ষা ও কর্মসংস্থান’ শীর্ষক সেমিনারে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আমরা যে পরিবর্তন আশা করছি, তা সর্বত্রই হতে হবে। সংস্কারের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর শক্তিশালী আইনি রূপান্তর ঘটাতে পারলে জাতির মুক্তি হবে। এ সময় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
ছোট্ট একটি উদাহরণ দিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন শুধু বৈষম্যমূলক চাকরি ব্যবস্থা বা কর্মসংস্থানের জন্য নয়। সেটি ছিলো দীর্ঘ ১৫-১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ শাসনের বিরুদ্ধে জনরোষের বহিঃপ্রকাশ। যে কারণে দ্রুত গতিতে এক দফার ভিত্তিতে সরকার বিরোধী আন্দোলন তীব্র হয় এবং বহু লড়াই সংগ্রাম ও রক্তের মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থান হয়। তিনি যোগ করেন, সবাই ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ফলেই এই সাফল্য এসেছিলো।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা আদেশ জারি ও প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জুলাই সনদকে আইনি কাঠামো দিতে পারেন। সবই হতে হবে বাস্তবতার নিরিখে এবং আইন দিয়ে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ বাতিলের দাবি তুলতে না পারে। সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার বলেও মনে করেন বিএনপির এই নেতা।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে