ইন্টারন্যামনাল ডেস্ক : ইসরায়েলি সেনারা ‘হলুদ সীমারেখা’র নামে উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে সামরিক চৌকি স্থাপন করছে। ফিলিস্তিনিদের এই সীমারেখা পেরোনো নিষেধ। ফলে সেখানে বাড়িঘর থাকলেও যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরে তাঁরা সেখানে যেতে পারছেন না। এতে গাজার অর্ধেকের বেশি ভূখণ্ড ইসরায়েলের দখলে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
দ্য
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়, গাজায় হলুদ সীমারেখা তৈরি করে দিয়েছিল ইসরায়েলি সেনারা। মূলত নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা চিহ্নিত করতে প্রতি ২০০ মিটার অন্তর হলুদ সীমা বসায় তারা।
রেখাটি গাজাকে কার্যত প্রায় দুই ভাগে ভাগ করে দিয়েছে। এর পশ্চিম অংশ থেকে ইসরায়েলি সেনা আংশিক প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফলে হামাস আবারও সেখানে নিজের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। তবে গাজার বাকি অর্ধেক অংশে ইসরায়েলি সেনারা অসংখ্য সামরিক চৌকি স্থাপন করেছে। যে কেউ সেই হলুদ রেখার কাছাকাছি গেলেই গুলি চালাচ্ছে।
খান
ইউনিসের উত্তরে আল-কারায়ার বাসিন্দা
মোহাম্মদ খালেদ আবু আল-হুসাইন বলেন, ‘আমরা
যখনই বাড়ির কাছাকাছি যাই, চারদিক থেকে গুলিবর্ষণ করা হয়। কখনো কখনো ছোট ছোট ড্রোন মাথার ওপর ওড়ে, আমাদের প্রতিটি নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করে। মনে হয়, যুদ্ধ যেন আমার জন্য এখনো শেষ হয়নি।
যুদ্ধবিরতি
কার্যকর হওয়ার দুই সপ্তাহ পরেও প্রতিদিন গড়ে ২০ জনের বেশি
ফিলিস্তিনি নিহত হন। অনেকেই হলুদ রেখার কাছাকাছি নিহত হয়েছেন। ফলে খুব কম বাস্তুচ্যুতই ফিলিস্তিন
নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় ফিরে যাচ্ছেন।
রিপোর্টার্স২৪/টিআই/ঝুম