| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বাউফলে ইউএনওকে অপসারনের দাবীতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও ঝাড়ু প্রদর্শন

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২১, ২০২৫ ইং | ০০:০০:০০:পূর্বাহ্ন  |  ১৮০৫৭৮৪ বার পঠিত
বাউফলে ইউএনওকে অপসারনের দাবীতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও ঝাড়ু প্রদর্শন
ছবির ক্যাপশন: বাউফলে ইউএনও কে অপসরনের দাবীতে বিক্ষোভ, মানব বন্ধন ও ঝাড়ু প্রদর্শন

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম কতৃক দুদকের সভাপতি ও পটুয়াখালী জেলার কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি এমরান হাসান সোহেলের সাথে অসৌজন্যমুলক ঔদ্ধত্য পুর্ণ আচারণে ক্ষুব্ধ হন সাংবাদিকরা এ কারণে তাকে  অপসরনের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল, মানবন্ধন ও ঝাড়ু প্রদর্শন করেছে বাউফল উপজেলা ছাত্র-জনতা। 


বুধবার (২১ মে) বিকালে বাউফল পাবলিক মাঠে এ মানববন্ধন ও ঝাড়ু প্রদর্শন  করা হয়। এসময় বিক্ষোভ মিছিলটি সদররোড পরিদর্শক শেষে উপজোলা চত্বরে শেষ হয়। এদিকে একই সময়ে বাউফল মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীর তাহসীন খান (১৩)কে পুর্বশত্রুতার জেরে হাতুড়ি পেটার বিচার ও দোষিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবীতে  মানববনৃধন করেছে মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।


উল্লেখ্য গত সেমবার দুপুরে বাউফল আদর্শ মাধৃযমিক বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনুষ্টিত সভায় বাউফল উপজলা নির্বাহী অফিসার একই বিদ্যালয়ের সভাপতি তাকে না জানিয়ে অনুষ্ঠান করায় ক্ষুব্ধ হয়ে র্দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির বাউফল উপজেলা সভাপতি ও কালের কণ্ঠের পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি এমরান হাসান সোহেলের সাথে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এসময় তিনি  জেল  দেয়ার হুমকী দেন বাউফলের ইউএনও আমিনুল ইসলাম। বাউফল গার্লস স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কক্ষে বসে তিনি ওই হুমকি দেন বলে অভিযোগ উঠে। এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘আমি কারো ফোন ধরতে বাধ্য নই। আমাকে চিঠি দিতে হবে। আমরা প্রজাতন্ত্রের এমন চাকর যে মালিককে জেলে ভরে শাস্তি দিতে পারি।’ ইউএনও আমিনুল ঔদ্ধত্যপূর্ন এ আচরণে উপস্থিত সবাই হতবিহম্বল হয়ে পড়েন।


গতকাল সোমবার ওই বিদ্যালয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন পটুয়াখালী জেলা কার্যালয় ও বাউফল দূর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির আয়োজন ও বাস্তবায়নে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডের দিন ক্ষন ধার্য ছিল।


এ কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল  বলেন, বৃহস্পতিবার এ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে আমন্ত্রন জানানোর জন্য বৃহস্পতিবার তাঁর কার্যালয়ে প্রথম যাওয়া হয়। কিন্তু তিনি অফিসে ছিলেন না। এরপর শনি ও রবিবার একই ভাবে তাঁকে আমন্ত্রন জানানোর জন্য প্রতিরোধ কমিটির তার কার্যালয়ে গেলে তখনও তাঁকে পাওয়া যায় নি। ওই তিনদিনই কমিটির সভাপতি তাঁকে ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। সর্বশেষ রবিবার সন্ধ্যার পর তাঁকে ফোন দিলে তিনি ফোন কেটে দেন।


এ বিষয়ে  প্রধান শিক্ষক জাহানারা বেগম জানান, ইউ.এন.ও স্যার আমার প্রতিষ্ঠানের সভাপতি একাধারে তিনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার। তার সাথে নিমন্ত্রণ না করা নিয়ে কথার কাটাকাটি হয়।


রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪