মেহেরপুর প্রতিনিধি : গত ১২ নভেম্বর মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের এইচএসসি ২য় বর্ষের এক ছাত্রী তার প্রেমিকের সাথে ঘুরতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন।
এ ঘটনায় জড়িত দুই ধর্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তারা হলেন, রাজাপুর গ্রামের আফতাব আলীর ছেলে আশরাফুল ইসলাম, জুমাত আলীর ছেলে রাকিবুল ইসলাম। আরেক ধর্ষক মিনারুল পালাতক রয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই নারী তার প্রেমিকের সঙ্গে মেহেরপুর সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামের রাস্তা দিয়ে আসার সময় ৩ যুবক তাদের পথরোধ করে এবং নানা প্রশ্ন করতে থাকে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে প্রেমিকের গলায় অস্ত্র ঠেকিয়ে পাশের আম বাগানে নিয়ে যায় এবং তাদের আটকে রেখে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে।
চাঁদা না দিলে তাদের দু'জনকে বিবস্ত্র করে সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেয়। কোন উপায় না দেখে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে তিন যুবকের কাছে রেখে টাকা আনতে মেহেরপুর শহরে আসেন। টাকা নিয়ে ফিরে গিয়ে দেখেন প্রেমিকাকে তারা তিনজন ধর্ষণ করে চলে গেছে।
এরপর স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে বাড়ি পাঠায়।
পরে ধর্ষণের শিকার প্রেমিকা নিজে বাদী হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিন যুবককে আসামি করা হয়।
সদর থানার ওসি অপারেশন জাহাঙ্গীর সেলিম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত দুই জনকে আটক করা হয়েছে। পালাতক আসামিকে আটকে পুলিশের অভিযান চলছে। বৃহস্পতিবার ধর্ষণের শিকার কলেজ ছাত্রীর মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে। আটককৃতদের আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন