| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভারতীয় দূতাবাসে ‘ফার্মাকানেক্ট’ শীর্ষক নেটওয়ার্কিং ও অভিজ্ঞতা-বিনিময় অনুষ্ঠান

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ১৯, ২০২৫ ইং | ১১:৩৭:৩৮:পূর্বাহ্ন  |  ১১৪৪৩৭৬ বার পঠিত
ভারতীয় দূতাবাসে ‘ফার্মাকানেক্ট’ শীর্ষক নেটওয়ার্কিং ও অভিজ্ঞতা-বিনিময় অনুষ্ঠান
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশন  ১৮ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে ‘ফার্মাকানেক্ট’ শীর্ষক একটি নেটওয়ার্কিং ও অভিজ্ঞতা-বিনিময় অনুষ্ঠান আয়োজন করে। এতে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের উচ্চপর্যায়ের নেতারা অংশ নেন। 

আসন্ন সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫ প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণের প্রাক্কালে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া বিশ্বের বৃহত্তম ওষুধ শিল্প প্রদর্শনীগুলোর একটি।

‘ফার্মাকানেক্ট’ অনুষ্ঠানে ভারতের ও বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সহযোগিতা ও পরিপূরক সম্পর্ক তুলে ধরা হয়। এতে দেখানো হয়, ভারতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতামূলক ওষুধশিল্প এবং বাংলাদেশের দ্রুত বিকাশমান উৎপাদন সক্ষমতা একসঙ্গে কাজ করলে কীভাবে সরবরাহ-চেইন শক্তিশালী হতে পারে, নতুন প্রযুক্তি অর্জন সম্ভব হবে, এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর হবে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ভারত–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে ওষুধশিল্পের কৌশলগত গুরুত্বের ওপর জোর দেন। 

তিনি উল্লেখ করেন, এপিআই সংগ্রহ, প্রসেস টেকনোলজি এবং ফার্মাসিউটিক্যাল মেশিনারিজের ক্ষেত্রে ভারত বাংলাদেশের আস্থাভাজন ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে রয়েছে। তিনি বলেন, এই খাতে আরও গভীর সহযোগিতা দুই দেশের শিল্পোন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে এবং একই সঙ্গে আঞ্চলিকভাবে সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। 

হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা আশা প্রকাশ করেন যে “ফার্মাকানেক্ট” ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ককে ভবিষ্যতধর্মী, উদ্ভাবননির্ভর কাঠামোয় এগিয়ে নিতে নতুন ব্যবসায়িক সংযোগ গড়ে তুলবে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের (বাপি) সভাপতি আবদুল মুকতাদিরসহ শীর্ষ শিল্পনেতারা বক্তব্য দেন। তারা বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের বিশ্ববাজারে ক্রমবর্ধমান বিস্তৃতি এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর, গবেষণা ও উন্নয়ন (আরঅ্যান্ডডি), এবং সরবরাহচেইন সংহতকরণসহ বিভিন্ন খাতে ভারতের সঙ্গে গভীর সহযোগিতার সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

বাংলাদেশি ওষুধশিল্প প্রতিনিধি দল এমন উদ্যোগের প্রতি আস্থা প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের সীমান্তপারের সহযোগিতা বাড়াবে, প্রযুক্তি প্রাপ্তি সহজ করবে, সরবরাহচেইন আরও স্থিতিশীল করবে এবং নতুন বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

স্বাস্থ্য ও ওষুধশিল্পে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা জোরদারের অংশ হিসেবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। 

আগামী ২৫ থেকে ২৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫–এ বহু বাংলাদেশি কোম্পানি অংশ নেবে। এই প্রদর্শনী বিশ্বব্যাপী উৎপাদক, উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী ও নীতিনির্ধারকদের সংযুক্ত করা অন্যতম বৃহৎ শিল্পমঞ্চ হিসেবে স্বীকৃত।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪