| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কোচের তত্ত্বেই বিপর্যয়

মালয়েশিয়ার বিপক্ষে লজ্জার হার বাংলাদেশের

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৬, ২০২৫ ইং | ১৬:২৪:৫০:অপরাহ্ন  |  ১৪৫১০৯৯ বার পঠিত
মালয়েশিয়ার বিপক্ষে লজ্জার হার বাংলাদেশের

রিপোর্টার্স২৪ডেস্ক: ত্রিদেশীয় নারী ফুটবল সিরিজে স্বাগতিক বাংলাদেশ শুভসূচনা করতে পারল না। মালয়েশিয়ার বিপক্ষে আফিদা খন্দকাররা ০–১ গোলে হেরেছে। দলের পারফরম্যান্সে ব্যর্থতার চেয়ে কোচ পিটার বাটলারের ‘একগুঁয়ে’ হাই লাইন ডিফেন্স কৌশলই এই হারকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।

বাংলাদেশের ব্রিটিশ কোচ পিটার বাটলার গত কয়েকটি ম্যাচেই হাই লাইন ডিফেন্স প্রয়োগ করে বিতর্কের মুখে পড়েছেন। থাইল্যান্ড সফরে এ কৌশলে দুই ম্যাচে আট গোল হজম করেছিল বাংলাদেশ। সমালোচনা সত্ত্বেও তিনি একই কৌশলে অটল থাকেন। বুধবার মালয়েশিয়ার বিপক্ষেও সেই হাই লাইন ডিফেন্সই একমাত্র জয়সূচক গোল হজমের কারণ হয়।

হাই লাইন পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ডিফেন্ডাররা প্রায় কিক-অফ লাইনের কাছাকাছি অবস্থান করায় প্রতিপক্ষ সহজেই রক্ষণভাগ ভেদ করতে পারে। প্রথমার্ধে মালয়েশিয়ার ফরোয়ার্ড নুর আনিশা ঠিক এমনই একটি থ্রু বল থেকে গোল করেন। গোলরক্ষক রুপ্না চাকমা এগিয়ে এলেও বল ধরতে ব্যর্থ হন। আনিশা ঠাণ্ডা মাথায় বলটি জালে পাঠান।

দ্বিতীয়ার্ধেও একাধিকবার বাটলারের ভুল কৌশলে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। তবে রুপ্না চাকমার দুর্দান্ত সেভে বড় ব্যবধানের হার এড়ানো যায়। ইনজুরি টাইমে মালয়েশিয়ার এক ফরোয়ার্ড তাকে একা পেলেও গোল করতে পারেননি।

মালয়েশিয়ার নারীদের ফিফা র‌্যাঙ্কিং ৯৪, যা বাংলাদেশের চেয়ে দশ ধাপ এগিয়ে হলেও তিন বছর আগে ঢাকায় তাদেরকে ৬–০ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। এবার নিজেদের মাঠে বাংলাদেশ ছিল ছন্নছাড়া, অপিরিকল্পিত এবং আক্রমণে নিষ্প্রভ। ঋতুপর্না চাকমা কয়েকবার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় সুযোগ তৈরি করলেও তাতে গোল আসেনি। ফরোয়ার্ড শামসুন্নাহারও বক্সে ঢুকেও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন।

বাংলাদেশের সবচেয়ে নিশ্চিত সুযোগটি আসে ৬৮ মিনিটে। বাম দিক থেকে ঋতুপর্নার ক্রসে বক্সে আনমার্কড অবস্থায় সাগরিকা হেড নেন, কিন্তু বল পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। এর বাইরে উল্লেখযোগ্য সুযোগ তৈরি করতে পারেনি দল।

প্রধান কোচ বাটলার পাঁচটি পরিবর্তন করেন। স্বপ্না, তহুরা, সাগরিকা, উমহেলা মারমা ও জয়নবকে নামানো হলেও দলের ছন্দে তেমন উন্নতি হয়নি। ঋতুপর্না আঘাত পাওয়ায় ৮০ মিনিটের আগে তাকে তুলে নিতে হয়।

আগামী এশিয়া কাপকে সামনে রেখে এই ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজন করেছে বাফুফে। ম্যাচটি দেখতে প্রায় পাঁচ হাজার দর্শক স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ-ভারত পুরুষ দলের ম্যাচের মতো উন্মাদনা না থাকলেও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নির্দেশনা অনুযায়ী স্টেডিয়ামের দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪