স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আগের নির্বাচনে ভোট না দিতে যাওয়া ভোটারদের এবার কেন্দ্রে আনা;এমন মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সময়মতো ও সুন্দর একটি নির্বাচনের প্রত্যাশা করে। আমরা মনে করি, এ নির্বাচন বাংলাদেশের জন্য তার গণতান্ত্রিক যাত্রার গল্প নতুন করে প্রতিষ্ঠার বড় সুযোগ। নির্বাচন কমিশন শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়, জুলাই চার্টার–সংক্রান্ত গণভোট আয়োজনের প্রস্তুতিও নিয়েছে যা সত্যিই প্রশংসনীয়।
তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি, পেশাদারিত্ব এবং একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের লজিস্টিক সক্ষমতার প্রশংসা করেন। মিলার জানান, ২০২৬ সালে বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত এই নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ একটি বড় আকারের পর্যবেক্ষক দল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতি তাদের আস্থারই প্রতিফলন।
ভোটার অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এমন একটি প্রজন্ম রয়েছে যারা পূর্বের নির্বাচনে ভোট দেয়নি কেউ বিশ্বাসের অভাবে, কেউ সহিংসতার আশঙ্কায়। এবার তাদের ভোটকেন্দ্রে আনাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।” এজন্য সাধারণ ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোটদান, গণভোটের অর্থ ও তাৎপর্য স্পষ্ট করে বোঝানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মিলার আরও জানান, নির্বাচন কমিশন ভোটদানের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ভোটারদের সুবিধার জন্য কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন। নিরাপত্তা ও লজিস্টিকস–সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে বলে পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
সুষ্ঠু নির্বাচন পরিবেশ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ইইউ রাষ্ট্রদূত বলেন, সব অংশীজনের উচিত অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাবনায় মনোযোগী হওয়া। গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ এখনই ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি