| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বিদেশে প্রশিক্ষণ সফরের অনুমোদন পেলেন না তিন ডেপুটি গভর্নর

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ০২, ২০২৫ ইং | ০৮:১১:৫৭:পূর্বাহ্ন  |  ১১৮৫৩৮৫ বার পঠিত
বিদেশে প্রশিক্ষণ সফরের  অনুমোদন পেলেন না   তিন ডেপুটি গভর্নর
ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত

সিনিয়র রিপোর্টার: বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন ডেপুটি গভর্নরের বিদেশে চারটি প্রশিক্ষণ সফর অনুমোদন না দেওয়ায় তা আটকে গেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সরকারি আদেশ (জিও) জারি না করায় তারা এসব আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেননি; জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক–সংশ্লিষ্ট সূত্র।

জানা যায়, গত জুলাই থেকে নভেম্বরের মধ্যে চারটি প্রশিক্ষণ ও আন্তর্জাতিক সভায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ, মো. হাবিবুর রহমান ও জাকির হোসেন চৌধুরীর। এর মধ্যে দুটিতে মনোনীত ছিলেন কবির আহাম্মদ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী গভর্নর ও ডেপুটি গভর্নরের বিদেশ সফরে সরকারের অনুমোদন লাগে। অর্থ উপদেষ্টার অনুমতির পর সারসংক্ষেপ পাঠানো হয় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে।

গত জুলাইয়ে মরক্কোয় ইসলামিক ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস বোর্ডের (আইএফএসবি) বার্ষিক সভায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল ডেপুটি গভর্নর কবির আহাম্মদের। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ জিও চাইলেও শেষ পর্যন্ত অনুমোদন মেলেনি।

সেপ্টেম্বরে ফ্রান্সে ডিজিটাল লেনদেন ও কার্ড ব্যবস্থাপনাবিষয়ক এক কর্মশালায় অংশ নেওয়ার জন্য জাকির হোসেন চৌধুরীকে মনোনয়ন দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। ভারতের একটি প্রতিষ্ঠান সফরের ব্যয় বহন করতে রাজি থাকলেও সরকারি আদেশ না পাওয়ায় তিনিও যেতে পারেননি।

নভেম্বরে একই ধরনের আরও দুটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আটকে যায়। যুক্তরাষ্ট্রে আইএমএফের এক দিনের প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার কথা ছিল ডেপুটি গভর্নর হাবিবুর রহমানের সফরের ব্যয় বহন করত আইএমএফ। সরকারি আদেশ না পাওয়ায় তিনি সফর বাতিল করেন। একই মাসে চীনে আইএমএফ আয়োজিত আরেক কর্মশালায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল কবির আহাম্মদের, কিন্তু অনুমোদন না মিলায় তিনিও যেতে পারেননি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ ও সম্মেলনে অংশ নিতে পারেননি ডেপুটি গভর্নররা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এসব সফরের ব্যয় বেশির ভাগ সময় বিদেশি প্রতিষ্ঠান বহন করে। এরপরও অনুমোদন না মেলায় তারা বিস্মিত। তাদের দাবি, বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ সংশোধন করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারের প্রভাব কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার পর থেকেই এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে. মুজেরি বলেন, “এ তো কার্যত ক্ষমতার লড়াই। এমনিতেই দেশের আর্থিক খাত চাপে আছে; এভাবে চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও নাজুক হবে।”

এ বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ লিখিত বক্তব্যে জানায়, কবির আহাম্মদের মরক্কো সফরের সারসংক্ষেপ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় অনুমোদন করেনি। ফ্রান্স সফর সরকারি নির্দেশনার পরিপন্থী হওয়ায় জাকির হোসেন চৌধুরী যেতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্র সফরের ক্ষেত্রে হাবিবুর রহমান মৌখিকভাবে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। আর কবির আহাম্মদের চীন সফরের সারসংক্ষেপ প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪