রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: কুড়িগ্রামে ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের প্রভাবে জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। খেটে খাওয়া মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বড় ধরনের অসুবিধা সৃষ্টি হচ্ছে। সড়কে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে, ঘন কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা খুবই কম।
রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দিনের আলো বাড়লেও শীতজনিত অসুস্থতা বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে বেড়েই চলেছে। যাত্রপুর ইউনিয়নের আমেনা বেগম (৪০) বলেন, ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডার কারণে কয়েকদিন ধরে আমার শিশুর জ্বর ও সর্দি হয়েছে। তাই হাসপাতালে নিয়ে আসতে হচ্ছে। চিলমারী উপজেলার মফিজুল হক (৫০) জানান, শীতকালে নদীপারের মানুষের জীবন অনেক কষ্টকর হয়। ঘর থেকে বের হওয়া যায় না, কাজ করা যায় না। হাতে-পায়ে শীতের তীব্রতা অনুভূত হয়।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. স্বপন কুমার বিশ্বাস সতর্ক করে বলেন, শীতের কারণে সর্দি-কাশি, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি ও হুপিং কাশি হতে পারে। বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি আক্রান্ত হন। তাই গরম কাপড় পরা এবং অনাবশ্যক ঘরের বাইরে বের হওয়া এড়িয়ে চলা জরুরি।
কুড়িগ্রাম রাজারহাট আবহাওয়া ও কৃষি পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, আজ জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি কুয়াশা ও শীতকাল ক্রমেই আরও তীব্র হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম