জেলা প্রতিনিধি: নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় স্কয়ার, হেলথকেয়ার, রাসাসহ কয়েকটি স্বনামধন্য ওষুধ কোম্পানির নামে নকল ওষুধ উৎপাদনকারী একটি কারখানার সন্ধান পাওয়ার দাবি করেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী। তাঁদের অভিযোগ, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগকারীরা জানান, নকল ওষুধের মতো সংবেদনশীল ঘটনায় জেলা বা উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ছাড়াই ভোক্তা অধিকারের একটি দল অভিযান চালায় এবং মাত্র ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওষুধ আইনে গ্রেপ্তারসহ কঠোর শাস্তির বিধান থাকলেও তা প্রয়োগ করা হয়নি।
এ ছাড়া উদ্ধার করা নকল ওষুধ জনবহুল এলাকায় পুড়িয়ে ধ্বংস করায় পরিবেশ দূষণের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠে।
কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশ কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতির কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের পরিচালক ও নীলফামারী জেলা সভাপতি হাকীম মোস্তাফিজুর রহমান সবুজ বলেন, ‘নকল ও ভেজাল ওষুধের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সোচ্চার আছি। বারবার অভিযোগ দেওয়ার পরও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেওয়া দুঃখজনক। কিছু তথ্য প্রস্তুতকারকদের কাছে আগেভাগে ফাঁস হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।’
তিনি আরও বলেন,‘মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলে নকল ওষুধ উৎপাদন ভয়াবহ অপরাধ। শুধু জরিমানায় নয়, আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।’
তদন্ত দাবি স্থানীয়দের
স্থানীয়দের মতে, নকল ওষুধ উৎপাদনের মতো গুরুতর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি