রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: অনলাইনে অপতথ্য ও বিদ্বেষ ছড়ানোর বিরুদ্ধে কাজ করা পাঁচ ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্র ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়েছে, এই ব্যক্তিরা আমেরিকান দৃষ্টিভঙ্গি দমনের চেষ্টা করেছেন।
যাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে তাদের মধ্যে চারজন সামাজিক মাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে কাজ করা সংস্থার শীর্ষ পদে রয়েছেন। অপরজন ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক কমিশনার। সবাই ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নাগরিক।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বিবৃতিতে বলেছেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা র্যাডিক্যাল অ্যাক্টিভিস্ট এবং তারা আমেরিকান বক্তা ও কোম্পানির বিরুদ্ধে সেন্সরশিপ জোরদারের উদ্যোগ নিয়েছেন। রুবিও এক্সে (Twitter) লিখেছেন, ইউরোপের এই আদর্শবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে, যাতে তাদের অপছন্দের আমেরিকান মতাদর্শ দমন করা যায়।
ভিসা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তিরা হলেন: থেরি বোতোঁ [ফ্রান্সের নাগরিক ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাবেক অভ্যন্তরীণ বাজার বিষয়ক কমিশনার] ইমরান আহমেদ [যুক্তরাজ্যের সেন্টার ফর কাউন্টারিং ডিজিটাল হেটের প্রধান নির্বাহী]
ক্লেয়ার মেলফোর্ড [গ্লোবাল ডিসইনফরমেশন ইনডেক্সের প্রধান] জোসেফিন ব্যালন ও আনা-লেনা ফন হোডেনবার্গ [জার্মান সংগঠন হেটএইডের কর্মকর্তা]
স্টেট ডিপার্টমেন্টের পাবলিক ডিপ্লোম্যাসি বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সারা রজার্স বলেন, থেরি বোতোঁ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ডিজিটাল সার্ভিসেস অ্যাক্ট (ডিএসএ) প্রণয়নের মূল পরিকল্পনাকারী। ডিএসএ মূলত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ঘৃণামূলক বক্তব্য, ভ্রান্ত তথ্য ও বিভ্রান্তি মোকাবিলার জন্য তৈরি।
বোতোঁ ভিসা নিষেধাজ্ঞাকে ‘উইচ হান্ট’ বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নিপীড়ন হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন এবং বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাকার্থি যুগের সঙ্গে তুলনা করেছেন। ইউরোপীয় কমিশনও মার্কিন এই পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীও পৃথকভাবে নিন্দা জানিয়েছেন।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি