সিনিয়র রিপোর্টার: ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ৩০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের ট্রাইব্যুনালে এ সাক্ষ শেষ হয়।
রুহুল আমিনকে পর্যায়ক্রমে জেরা করেন বেরোবির তৎকালীন প্রক্টর শরিফুল ইসলামের আইনজীবী আমিনুল গণি টিটো।
টানা চারদিন আসামিপক্ষের আইনজীবীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন এ মামলায় ২৫ নম্বর সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া রুহুল আমিন। আজ রুহুল আমিনের সাক্ষের মধ্য দিয়ে শেষ হলো এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ। এর আগে ৬ জানুয়ারি তৃতীয় দিনের জেরা সম্পন্ন হয়।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদসহ অন্যরা।
প্রসিকিউশন বা রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে নিয়মানুযায়ী আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্য নেওয়া হয়। কিন্তু সাফাই সাক্ষ্যগ্রহণের কোনো আবেদন করেনি আসামিপক্ষ।
তবে আসামিপক্ষের আইনজীবীদের অন্য আবেদন থাকায় এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের তারিখ নির্ধারণের জন্য আগামীকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেন আদালত।
এদিকে আজ সকালে কারাগার থেকে গ্রেপ্তার ছয় আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করে পুলিশ। তারা হলেন- এএসআই আমির হোসেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী, রাফিউল হাসান রাসেল ও আনোয়ার পারভেজ।
ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ২৪ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের হয়ে আইনি লড়াই করছেন সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া চার আইনজীবী।
গত বছরের ২৭ আগস্ট সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। ৬ আগস্ট ৩০ আসামির বিরুদ্ধে ফর্মাল চার্জ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল-২। পলাতক আসামিদের পক্ষে ২২ জুলাই স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী হিসেবে চারজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অভিযোগ আমলে নেওয়া হয় ৩০ জুন। এর ছয়দিন আগে তথা ২৪ জুন চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত সংস্থা।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি