| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

‘জুলাইযোদ্ধাদের’ দায়মুক্তি ও সুরক্ষা আইনের অধ্যাদেশ অনুমোদন

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ ইং | ১৭:১৯:২৫:অপরাহ্ন  |  ৯২৪৪৩৮ বার পঠিত
‘জুলাইযোদ্ধাদের’ দায়মুক্তি ও সুরক্ষা আইনের অধ্যাদেশ অনুমোদন
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

সিনিয়র রিপোর্টার: ‘জুলাইযোদ্ধাদের’ দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা দিতে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস–এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, নতুন বাংলাদেশ নির্মাণে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের প্রতি আমাদের যে প্রতিশ্রুতি ছিল, সেই কমিটমেন্টের অংশ হিসেবেই জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তি ও আইনি সুরক্ষা আইন অধ্যাদেশ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এই অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করা হবে।

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে মূলত ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্ট মাসে সংঘটিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে রাজনৈতিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে সংগঠিত কার্যাবলীর জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফৌজদারি দায় থেকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন, রাজনৈতিক প্রতিরোধ বলতে আমরা বুঝিয়েছি ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংগঠিত কার্যাবলী। এই উদ্দেশ্যে সংঘটিত কার্যক্রমের জন্য কোনো ফৌজদারি দায় থাকবে না।

আইন উপদেষ্টা জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের কারণে যদি কোনো ফৌজদারি মামলা থেকে থাকে, সেগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেবে সরকার। পাশাপাশি এই ধরনের অভিযোগে ভবিষ্যতে নতুন করে কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।

কোন ঘটনা রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ এবং কোনটি ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে সংঘটিত এই পার্থক্য নির্ধারণের দায়িত্ব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছে বলে জানান আসিফ নজরুল।

তিনি বলেন, কোনো ভিকটিমের পরিবার যদি মনে করে যে হত্যাকাণ্ডটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হয়েছে, তাহলে তারা মানবাধিকার কমিশনের কাছে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

মানবাধিকার কমিশন তদন্ত করে একটি রিপোর্ট দেবে এবং সেই রিপোর্ট পুলিশের তদন্ত রিপোর্টের মতোই আদালতে গ্রহণযোগ্য হবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, যদি তদন্তে দেখা যায়, ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রতিরোধের ধারাবাহিকতায় সংঘটিত, তাহলে সেই সংগঠিত কার্যাবলীর জন্য কোনো দায়–দায়িত্ব থাকবে না। তবে ব্যক্তিগত বা সংকীর্ণ স্বার্থে সংঘটিত অপরাধ হলে সে ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই অধ্যাদেশকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আইনি নিরাপত্তা দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ বিচারপ্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত দিকনির্দেশনা হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪