সরেজমিনে দেখা যায়, কিছু অসচ্ছল নারী রাস্তার পাশে, মাঠঘাট বা গবাদি পশু বিচরণের স্থান থেকে গোবর সংগ্রহ করেন। অনেকেই গোয়ালঘর থেকেও গোবর সংগ্রহ করেন। বাড়ির কাজের ফাঁকে নারীরা শলা তৈরি করেন। পাটকাঠি ও বাঁশের কঞ্চিতে মুঠো মুঠো গোবর মাখিয়ে তৈরি করা শলাগুলো রোদে শুকিয়ে চার থেকে পাঁচ দিনে বিক্রির উপযোগী করা হয়।
জানা যায়, গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় গ্রামের মানুষ বিপাকে পড়েছেন। তাছাড়া গ্যাস কিনে ব্যবহার করাও অনেক পরিবারের সাধ্যের বাইরে। এই সংকট থেকে পরিত্রাণ পেতে ফরিদপুর অঞ্চলের নিম্ন আয়ের অনেক মানুষ গোবরের লাঠির দিকে ঝুঁকছেন। গরুর গোবরের সঙ্গে তুষ মিশিয়ে শুকনো চিকন দুই থেকে তিন ফুট লম্বা লাঠি বা পাটখড়িতে পেঁচিয়ে রোদে শুকিয়ে তৈরি হয় এই জ্বালানি।
কাঁচা শলাগুলো শুকানোর জন্য বাড়ির উঠানে বা রাস্তার পাশে রোদে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। চার থেকে পাঁচ দিন রোদে শুকানোর পর এগুলো জ্বালানির উপযোগী হয়। এরপর এসব শুকনো উপকরণ মজুদ করে রাখা হয়। ঝড়-বৃষ্টির দিনে প্রয়োজন অনুযায়ী এগুলো দিয়ে চুলায় রান্না করা যায়।
একসময় জেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ নানাভাবে জ্বালানি সংগ্রহ করে নিজেদের চাহিদা মেটাতেন। দিন দিন জ্বালানি সংকট বাড়ায় এ অঞ্চলের মানুষ বিপাকে পড়ছেন। তাছাড়া গ্যাস কিনে ব্যবহার করাও অনেকের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন