| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ভারতে শেখ হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিপন্থী: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ ইং | ১৭:৪১:৫৩:অপরাহ্ন  |  ৮৭০৮৩২ বার পঠিত
ভারতে শেখ হাসিনার বক্তব্যের অনুমতি আন্তর্জাতিক নীতিমালার পরিপন্থী: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট: ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনাকে জনসম্মুখে বক্তব্য দেওয়ার অনুমতি দেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। রোববার (২৫ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এই প্রতিবাদ জানায়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারতের রাজধানীতে এ ধরনের অনুষ্ঠানের অনুমতি দেওয়া এবং গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত একজন পলাতক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া আন্তর্জাতিক সম্পর্কের স্বীকৃত নীতিমালার পরিপন্থী। বিশেষ করে সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সুপ্রতিবেশীসুলভ আচরণের নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন ঘটেছে।

বিবৃতিতে  আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত পলাতক শেখ হাসিনাকে গত ২৩ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের জন্য বিস্ময়কর ও হতবাক করার মতো ঘটনা। ওই বক্তব্যে তিনি প্রকাশ্যে বাংলাদেশ সরকারকে উৎখাতের আহ্বান জানান এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ব্যাহত করতে তার দলের অনুসারী ও সাধারণ জনগণকে সহিংস ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে উসকানি দেন বলে অভিযোগ করা হয়।

বাংলাদেশ গভীর দুঃখ প্রকাশ করে জানায়, ভারত দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তির অধীনে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বাধ্যবাধকতা পূরণ না করে বরং ভারতের মাটি ব্যবহার করে তাকে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। এতে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ, শান্তি ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এই ঘটনা বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের প্রতি স্পষ্ট অবমাননার শামিল। বাংলাদেশ মনে করে, এ ধরনের পদক্ষেপ বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য একটি বিপজ্জনক নজির স্থাপন করেছে, যা ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকারগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রক্রিয়াকে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের এই প্রকাশ্য উসকানি আবারও প্রমাণ করে কেন অন্তর্বর্তী সরকার দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল। নির্বাচনের আগে কিংবা নির্বাচনের দিন কোনো সহিংসতা বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হলে তার দায় সম্পূর্ণভাবে আওয়ামী লীগকেই বহন করতে হবে।

একই সঙ্গে এই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে বাংলাদেশ সরকার প্রয়োজনীয় ও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪