| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চোখের পাতা লাফায় কেন, এটি ভালো না ক্ষতি

reporter
  • আপডেট টাইম: ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২৬ ইং | ১২:২২:৩৯:অপরাহ্ন  |  ৪৩৩৩৪৪ বার পঠিত
চোখের পাতা লাফায় কেন, এটি ভালো না ক্ষতি

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: চোখের পাতা লাফানো বা টলমল হওয়া অনেকেরই নজরে আসে না। সাধারণত এটি স্বাভাবিক ধরা হয় এবং অধিকাংশ মানুষ মনে করেন, এটি কোনো কারণ ছাড়া হয়ে থাকে এবং নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে। তবে কিছু ক্ষেত্রে চোখের পাতা লাফানো শারীরিক বা স্নায়ুবিষয়ক সমস্যার লক্ষণও হতে পারে।

চোখের পাতা লাফানো বলতে বোঝায় চোখের পেশী বা চারপাশের কিছু অংশের অনিয়ন্ত্রিত নড়াচড়া। এটি কখনো স্বাভাবিক হলেও অনেক সময় চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।

চোখের পাতা লাফানোর প্রধান কারণসমূহ:

  • মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
  • ঘুমের অভাব বা ক্লান্তি
  • অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা নিকোটিন গ্রহণ
  • প্রেসক্রিপশন বা অন্যান্য ওষুধের প্রভাব
  • উজ্জ্বল আলো বা আলোর সংবেদনশীলতা
  • চোখের পেশীতে টান বা চাপে থাকা
  • পুষ্টির ঘাটতি

চোখের লাফানোর ধরনসমূহ:

ফ্যাসিকুলেশন

ত্বকের নিচে ছোট, অনিচ্ছাকৃত মোচড় বা কাঁপুনি। সাধারণত ক্ষণস্থায়ী ও ব্যথাহীন। অতিরিক্ত ক্যাফেইন, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত পরিশ্রম, থাইরয়েড সমস্যা বা ভাইরাল সংক্রমণ ফ্যাসিকুলেশনের কারণ হতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে এটি গুরুতর স্নায়ুবিষয়ক রোগের লক্ষণও হতে পারে।

মায়োকিমিয়া

চোখের পেশীর সাময়িক কাঁপুনি। সাধারণ কারণ মানসিক চাপ, ঘুমের অভাব, ক্যাফেইন গ্রহণ। তবে কিছু ক্ষেত্রে ওষুধ, অটোইমিউন রোগ বা মস্তিষ্কে টিউমার এই সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।

ব্লেফারোস্পাজম বা চোখের পাতার খিঁচুনি

দুটি ধরন: প্রাথমিক ও মাধ্যমিক। প্রাথমিক প্রায় কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়া হয়, আর মাধ্যমিক কোনো শারীরিক সমস্যার কারণে। ফটোফোবিয়া বা শুষ্ক চোখ, কিছু ওষুধ, ডাইস্টোনিয়া বা মৃগীরোগ ব্লেফারোস্পাজমের কারণ হতে পারে।

হেমিফেসিয়াল স্প্যাজম

মুখ বা চোখের একপাশের পেশীর অনিয়ন্ত্রিত কাঁপুনি। প্রাথমিক ক্ষেত্রে এটি সাধারণত মুখের স্নায়ুতে চাপের কারণে হয়। গুরুতর ক্ষেত্রে ট্রমা, টিউমার বা মস্তিষ্কের ক্ষতি এর কারণ হতে পারে।

নিস্টাগমাস

চোখের অনিয়ন্ত্রিত দোলন বা নড়াচড়া। ক্লান্তি, অতিরিক্ত ক্যাফেইন বা অ্যালকোহল, কিছু রোগ বা স্নায়ুবিষয়ক সমস্যা নিস্টাগমাসের কারণ হতে পারে।

চোখের পাতা লাফানো সাধারণত ক্ষণস্থায়ী এবং নিরাপদ হলেও, দীর্ঘস্থায়ী বা অন্যান্য উপসর্গসহ হলে চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা স্নায়ু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪