রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ‘হত্যার’ দাবিকে কেন্দ্র করে পাকিস্তান ও ইরাকে ব্যাপক বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, রোববার সকালে ইরানের পক্ষ থেকে খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। তবে এই তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
খবরে দাবি করা হয়, রাজধানী তেহরান-এ তার প্রাসাদ কম্পাউন্ডে বিমান হামলায় তিনি প্রাণ হারান এবং হামলার পেছনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জড়িত ছিল। এ দাবির পরপরই দুই দেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
করাচিতে কনস্যুলেটে হামলা, গুলিতে নিহত ১০
পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচি-তে বিক্ষুব্ধ জনতা যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে হামলা চালায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, একদল বিক্ষোভকারী কনস্যুলেট ভবনের রিসেপশন এলাকায় ঢুকে পড়লে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি ছোড়ে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হন।
দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় অঞ্চল গিলগিত-বালতিস্তান-এ পৃথক সংঘর্ষে আরও ১০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস ঘিরে উত্তেজনা
ইরাকের রাজধানী বাগদাদ-এও বিক্ষোভকারীরা মার্কিন দূতাবাসের দিকে অগ্রসর হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তারা গ্রিন জোন এলাকায় প্রবেশের চেষ্টা করলে নিরাপত্তা বাহিনী গুলি চালায়। এতে দুজন নিহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও অনিশ্চয়তা
ঘটনাকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে খামেনির নিহত হওয়ার দাবির বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ও নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন সূত্রে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য আসছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক মাধ্যম এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল হওয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সর্বশেষ তথ্যের জন্য নির্ভরযোগ্য সূত্র পর্যবেক্ষণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টার্স২৪/আরকে