| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ট্রাম্প আমেরিকাকে অনুমোদনহীন যুদ্ধে টেনে নিচ্ছেন: কমলা হ্যারিস

reporter
  • আপডেট টাইম: মার্চ ০৩, ২০২৬ ইং | ০০:৩৭:৩৬:পূর্বাহ্ন  |  ৪১৯১৫৫ বার পঠিত
ট্রাম্প আমেরিকাকে অনুমোদনহীন যুদ্ধে টেনে নিচ্ছেন: কমলা হ্যারিস

আন্তরজাতিক ডেস্ক: মার্কিন সাবেক উপরাষ্ট্রপতি ও বিরোধী দলীয় নেতা কামালা হ্যারিস প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান এবং ইসরায়েলের সঙ্গে যৌথ সামরিক হামলার সিদ্ধান্তকে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি এই পদক্ষেপকে আমেরিকানদের জীবন নিয়ে “অপ্রয়োজনীয় জুয়াখেলা” বলে অভিহিত করেছেন।

হ্যারিস বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকাকে এমন এক যুদ্ধে টেনে নিচ্ছেন, যা সাধারণ মানুষ চায় না। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, আমি ইরানে কোনো শাসন পরিবর্তনের যুদ্ধে সমর্থন করি না। আমাদের সৈন্যদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের কারণে। তিনি আরও বলেন, আমি এই যুদ্ধের ঘোর বিরোধিতা করি এবং প্রত্যেকের উচিত একই মনোভাব পোষণ করা। কংগ্রেসকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নিতে হবে।

তিনি সতর্ক করেছেন, সরাসরি সামরিক হামলা যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি ও ব্যয়বহুল সংঘাতে জড়িয়ে দিতে পারে। তাই যে কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে সংযম, কৌশলগত মূল্যায়ন এবং কূটনৈতিক বিকল্পগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত। হ্যারিসের মতে, কূটনৈতিক সমাধানকে অগ্রাধিকার দেওয়া দীর্ঘমেয়াদে অধিক কার্যকর হতে পারে।

ওয়াশিংটনে হ্যারিসের এই বক্তব্যে দ্বিদলীয় উদ্বেগের প্রতিফলন দেখা গেছে। কংগ্রেসের কয়েকজন আইনপ্রণেতা ও সামরিক বিশ্লেষক সতর্ক করেছেন, সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। গালফ অঞ্চলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ওপরও প্রভাব পড়তে পারে।

ইরান ইসরায়েলের পাশাপাশি বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, জর্ডান ও কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিতে প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। এর ফলে অঞ্চলটি আরও অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি পরিচালিত একটি প্রাথমিক জরিপে দেখা গেছে, মার্কিন প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ৩৩ শতাংশই ইরানের ওপর হামলার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন, আর ৪৫ শতাংশের বেশি তা বিরোধিতা করেছেন। ডেমোক্র্যাট ও স্বাধীন প্রার্থীদের মধ্যে যথাক্রমে মাত্র ১০ শতাংশ ও ২১ শতাংশ সমর্থন প্রকাশ করেছেন, যেখানে ৬৮ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থন দিয়েছেন।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। এখন পরিস্থিতি নির্ভর করছে পরবর্তী কূটনৈতিক ও সামরিক পদক্ষেপের ওপর।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪