রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: এয়ার ফ্রায়ার দ্রুতই রান্নাঘরের সবচেয়ে জনপ্রিয় যন্ত্র হয়ে উঠেছে। এটি অনেক সময় ডিপ ফ্রাইয়ের স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে বাজারজাত করা হয়, কারণ মুচমুচে খাবার তৈরি করতে খুব বেশি তেলের প্রয়োজন হয় না। তবে প্রশ্ন হচ্ছে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার সত্যিই খাবারকে স্বাস্থ্যকর করে নাকি কেবল খাবারকে সুস্বাদু করে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এয়ার ফ্রায়ার তেলের ব্যবহার কমিয়ে ক্যালোরি ও চর্বির পরিমাণ হ্রাস করতে সাহায্য করে, যা স্বাস্থ্য সচেতনদের জন্য বড় সুবিধা। এয়ার ফ্রায়ার গরম বাতাস ব্যবহার করে খাবারের বাইরের স্তর খসখসে তৈরি করে, ফলে ডিপ ফ্রাইয়ের মতো স্বাদ পাওয়া যায় কিন্তু তেলের পরিমাণ অনেক কম লাগে। এর ফলে শাক-সবজি, আলু, এবং প্রোটিন জাতীয় খাবারে চর্বি কম থাকে এবং স্বাদ বজায় থাকে।
এয়ার ফ্রায়ারের সম্ভাব্য সুবিধা:
তেলের ব্যবহার কমিয়ে মোট চর্বির পরিমাণ কমানো
ডিপ ফ্রাই করা খাবারের তুলনায় ক্যালোরি কমানো
সহজ এবং দ্রুত রান্না করা যায়
রান্নার সময় আশেপাশে কম নোংরা
অতিরিক্ত ভাজা খাবারের গ্রহণ সীমিত করা
কখন এয়ার ফ্রায়ার স্বাস্থ্যকর নাও হতে পারে:
এয়ার ফ্রায়ার সবসময় খাবারকে স্বাস্থ্যকর করে না। হিমায়িত ফ্রাই, নাগেটস বা অন্যান্য অত্যন্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার যদি রান্না করা হয়, তাতেও সোডিয়াম, প্রিজারভেটিভ এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি থাকে। মূলত, খাবারের পুষ্টিমান নির্ভর করে তার উপাদানের ওপর।
সংক্ষেপে, এয়ার ফ্রায়ার সাধারণ ডিপ ফ্রাইয়ের তুলনায় স্বাস্থ্যকর হতে পারে কারণ এটি তেলের ব্যবহার কমিয়ে দেয়। কিন্তু এটি প্রক্রিয়াজাত বা অত্যাধিক চর্বিযুক্ত খাবারকে স্বাস্থ্যকর করে তুলতে পারে না।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম