রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: ঈদের আনন্দ শেষ হলেও রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ক্রেতারা এই দাম বৃদ্ধিতে চাপে পড়েছেন।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ও রায়েরবাজার এলাকায় শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দেখা যায়, মাছের বাজারে ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। পাঙ্গাশ ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০ টাকা, রুই ২৪০ থেকে ৩,৫০০ টাকা, মৃগেল ২৫০–৩০০, দেশি টেংরা ৬০০, চিংড়ি ৫৫০–৯০০, শোল ৭০০ এবং কই-শিং ৪০০ টাকার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারেও একই চিত্র। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম দাঁড়িয়েছে ১৯৫ টাকা, আর সোনালি জাতের মুরগি কেজিপ্রতি ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ ক্রেতার জন্য প্রায় বিলাসী পণ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাজারে সবজির দামও বেড়েছে। ঢ্যাঁড়শ ১২০, পটোল ১০০, মরিচ ১০০–১২০, ঝিঙ্গা ও চিচিঙ্গা ১০০–১২০, উচ্ছে ১০০, বরবটি ১০০, লেবু প্রতি হালি ৫০–৬০, টমেটো ৭০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। করলা ১৬০, লাউ ৮০, গোল বেগুন ১৬০ এবং লম্বা বেগুন ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। শিম ৫০–৭০, ছোট মিষ্টি কুমড়া ৬০–৭০, পেঁপে ও গাজর ৫০–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এক ক্রেতা জানান, ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের জন্য এখনও স্বস্তির নয়। সোনালি মুরগি এখন বিলাসী পণ্যে পরিণত হয়েছে।
আরেক ক্রেতা বলেন, ঈদের সময় দাম বেড়েছিল, আশা ছিল ঈদের পর কমবে। কিন্তু বাস্তবে তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না।
ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, পরিবহণ ব্যয়, সরবরাহ ঘাটতি এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বাজারে দামের ওপর চাপ এখনও বজায় রয়েছে। দ্রুত স্বস্তি ফেরার সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন তারা।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম