| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সোলাইমানির স্বজনদের গ্রিন কার্ড বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ০৫, ২০২৬ ইং | ০৪:৪৮:০৩:পূর্বাহ্ন  |  ১২৭৭৯৬ বার পঠিত
সোলাইমানির স্বজনদের গ্রিন কার্ড বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন সরকার ইরানের কুদস ফোর্সের সাবেক প্রধান কাসেম সোলাইমানির এক ভাতিজি ও তাঁর মেয়ের স্থায়ী বসবাসের অনুমোদন বা গ্রিন কার্ড বাতিল করেছে। শুক্রবার রাতেই হামিদেহ সোলাইমানি আফশার ও তাঁর মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে শনিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।

বর্তমানে দুজনই ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইস) হেফাজতে আছেন। যুক্তরাষ্ট্র তাদের দেশছাড়া করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর দাবি করেছে, হামিদেহ সোলাইমানি আফশার ইরানের “স্বৈরতান্ত্রিক ও সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থার” প্রকাশ্য সমর্থক। দপ্তরের ভাষ্য, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এমন বক্তব্য সহ্য করবে না। পররাষ্ট্র দপ্তর আরও বলেছে, যারা যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী সন্ত্রাসী শাসনকে সমর্থন করে, তাদের জন্য দেশটি আশ্রয়স্থল হতে পারে না।

এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার সীমা এবং কারও আত্মীয়তার কারণে শাস্তি দেওয়া কতটা যৌক্তিক—সে প্রশ্নও উঠেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সামাজিক মাধ্যমে জানান, তিনি আফশার ও তাঁর মেয়ের আইনি আবাসন-অবস্থা বাতিল করেছেন। তাঁর দাবি, আফশার ইরানপন্থী বক্তব্য দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হামলার প্রশংসা করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে “গ্রেট শয়তান” বলে উল্লেখ করেছেন।

পররাষ্ট্র দপ্তর আরও জানায়, লস অ্যাঞ্জেলেসে আফশারের বিলাসবহুল জীবনযাপন নিয়েও তারা বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েছে। এ সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে তাঁর স্বামীকেও যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে।

এই পদক্ষেপ এ মাসে দ্বিতীয়বারের মতো এমন ঘটনার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাবেক প্রধান আলি লারিজানির কন্যা ফাতেমেহ আরদেশির-লারিজানি এবং তাঁর স্বামী সেয়েদ কালানতার মোতামেদির যুক্তরাষ্ট্রে আইনগত অভিবাসন-অবস্থা বাতিল করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক চাপ ও রক্ষণশীল মহলের দাবির পর এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কট্টর ডানপন্থী প্রভাবশালী লরা লুমারও আফশারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তাঁর বহিষ্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে অনলাইনে এ বিষয়ে শুরু হওয়া একটি আবেদনে কয়েক হাজার স্বাক্ষরও পড়েছে।

কাসেম সোলাইমানিকে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে মার্কিন ড্রোন হামলায় হত্যা করা হয়। আর ইরানি শীর্ষ নেতা আলি লারিজানির আত্মীয়দের বিরুদ্ধেও সাম্প্রতিক এ সিদ্ধান্তকে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি                                                                                                 সূত্র: আল জাজিরা

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪