আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও লেবাননে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এটিকে চলমান সংঘাতের অন্যতম বৃহৎ সামরিক অভিযান হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে।
বুধবার (৮এপ্রিল) দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে একযোগে ডজনখানেক বিমান হামলা চালানো হয়। রাজধানী বৈরুতসহ দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহরে আবাসিক ভবন, মসজিদ, যানবাহন ও কবরস্থান লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে।
লেবাননের স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, এসব হামলায় শতাধিক মানুষ হতাহত হয়েছেন। বিভিন্ন স্থানে একাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে;পূর্বাঞ্চলের একটি জানাজায় হামলায় অন্তত ১০ জন নিহত, সাইদা শহরে ৬ জন, পশ্চিম বৈরুতে ৩ জন এবং উপকূলীয় অঞ্চলে তিন শিশুসহ আরও কয়েকজন নিহত হয়েছেন।
হামলার পর দেশটির হাসপাতালগুলোতে আহতদের ভিড় বেড়ে গেছে। চিকিৎসক সংগঠনগুলো জরুরি ভিত্তিতে চিকিৎসকদের হাসপাতালে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম এ হামলাকে “নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের ওপর বর্বর আক্রমণ” হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একইসঙ্গে দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনও এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে এবং এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও লেবাননকে এতে অন্তর্ভুক্ত না করায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এতে সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনাও ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি