| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নারী কোটা বিল পাসে ব্যর্থ মোদি সরকার, সংসদে বিরল ধাক্কা

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ১৭, ২০২৬ ইং | ২২:৪৩:০৭:অপরাহ্ন  |  ৩৬৫ বার পঠিত
নারী কোটা বিল পাসে ব্যর্থ মোদি সরকার, সংসদে বিরল ধাক্কা
ছবির ক্যাপশন: ২০২৩ সালের ১৮ই সেপ্টেম্বর, ভারতের নয়াদিল্লিতে পাঁচ দিনব্যাপী বিশেষ অধিবেশনের প্রথম দিনে দেশটির নতুন (বামে) এবং পুরাতন সংসদ ভবনের একটি দৃশ্য। রয়টার্স/ফাইল ফটো

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: সংসদে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি ও নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বাস্তবায়নের পরিকল্পনা সংযুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে ভারত সরকার। এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য বিরল এক রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শুক্রবার লোকসভায় ভোটাভুটিতে বিলটির পক্ষে ২৯৮ জন এবং বিপক্ষে ২৩০ জন ভোট দেন। তবে সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় বিলটি পাস হয়নি।

সরকারের প্রস্তাবিত এই বিলের মাধ্যমে সংসদের নিম্নকক্ষের আসন সংখ্যা প্রায় ৫৫ শতাংশ বাড়িয়ে ২০২৯ সালের নির্বাচনের আগে ৮৫০-এ উন্নীত করার পরিকল্পনা ছিল। একইসঙ্গে প্রাদেশিক আইনসভাগুলোর আসন সংখ্যাও বাড়ানোর কথা ছিল। এর সঙ্গে নারীদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের বিষয়টিও যুক্ত করা হয়।

বিরোধীরা বলেছে, তারা নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনের পক্ষে থাকলেও, এই পরিকল্পনাকে নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাসের (ডিলিমিটেশন) সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে যা সরকারের রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার কৌশল।

বিরোধী নেতা রাহুল গান্ধী বলেন, নারীর নামে অসাংবিধানিক কৌশল ব্যবহার করে সংবিধানকে দুর্বল করার চেষ্টা করা হয়েছে।

অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলা হয়েছে, নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন বাস্তবায়নে তারা কাজ চালিয়ে যাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংসদে বলেন, এই দেশের নারীরা আপনাদের ক্ষমা করবে না।

সরকারের যুক্তি ছিল, সর্বশেষ ১৯৭১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে নির্ধারিত আসন কাঠামো বর্তমান জনসংখ্যার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাই পুনর্বিন্যাস প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে পাস হওয়া এক আইনে নারীদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে তা পরবর্তী জনগণনা ও নির্বাচনী এলাকা পুনর্বিন্যাসের সঙ্গে যুক্ত থাকায় বাস্তবায়ন বিলম্বিত হচ্ছে।

বর্তমানে ভারতের সংসদে নারীদের জন্য কোনো সংরক্ষিত আসন নেই। নিম্নকক্ষে নারী সদস্যের হার প্রায় ১৪ শতাংশ এবং উচ্চকক্ষে ১৭ শতাংশ। রাজ্য আইনসভাগুলোতে এ হার আরও কম, গড়ে প্রায় ১০ শতাংশ। রয়টার্স

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪