| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রাজীব গান্ধী হত্যার আসামি এখন হাই কোর্টের আইনজীবী

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ০১, ২০২৬ ইং | ১০:২৪:৪১:পূর্বাহ্ন  |  ৩৬১ বার পঠিত
রাজীব গান্ধী হত্যার আসামি এখন হাই কোর্টের আইনজীবী
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুর শ্রীপেরমবুদুরে নির্বাচনী জনসভায় আত্মঘাতী হামলায় নিহত হন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। তাকে হত্যা করেছিলেন ধানু নামের এক নারী। লিবারেশন টাইগার্স অফ তামিল ইলম (এলটিটিই)-এর সদস্য ছিলেন তিনি।

নির্বাচনী জনসভায় শরীরে বোমা বেঁধে সটান প্রধানমন্ত্রীর সামনে হাজির হন ধানু। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে তীব্র বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় তার দেহ। মৃত্যু হয় রাজীবেরও। শ্রীলঙ্কা থেকে নৌপথে দু’মাস আগে এলটিটিই প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের নির্দেশে ধানু ভারতের মাদ্রাজ (এখনকার চেন্নাই) শহরে আসেন রাজীব গান্ধীকে হত্যা করার জন্য।

সেই মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন নলিনী শ্রীহরণ-সহ সাত জন। তাদের মধ্যে ছিলেন এজি পেরারিভালনও। ৩১ বছর জেল খাটেন তিনি। মুক্তির পর রাজীব হত্যামামলার সেই আসামিই এখন হাই কোর্টের আইনজীবী।

পেরারিভালন যখন ২০২২ সালে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন, তখন তাঁর কাছে মুক্তি মানে শুধু কারাগারের বাইরে পা রাখা ছিল না। ছিল নতুন করে সব কিছু শুরু করার প্রস্তুতি। রাজীব গান্ধী হত্যামামলায় দোষী সাব্যস্ত সেই পেরারিভালনের জন্য সেই নতুন শুরুটা এখন তামিলনাড়ুর আদালতে উন্মোচিত হচ্ছে।

২০২২ সালে সাজা মকুবের মাধ্যমে মুক্তি পেয়ে বেঙ্গালুরুর বিআর অম্বেডকর ল কলেজে আইন নিয়ে পড়াশোনা করেন পেরারিভালন। ২০২৫ সালে সর্বভারতীয় বার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে আইনজীবী হয়েছেন তিনি।

যে আইনি ব্যবস্থায় পেরারিভালন তার জীবনের ৩১ বছর অভিযুক্ত এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসাবে কাটিয়েছেন, সেই ব্যবস্থাই এখন মাদ্রাজ হাই কোর্টে আইনজীবী হিসাবে কাজ করার অধিকার দিয়েছে তাঁকে।

বর্তমানে পেরারিভালনের বয়স ৫৪। সোমবার আইনজীবীর কালো পোশাক পরে তিনি তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি বার অ্যাসোসিয়েশনে আইনজীবী হিসেবে নিজেকে নথিভুক্ত করেছেন।

১৯৯১ সাল থেকে কারাগারে কাটানো বছরগুলির স্মৃতিচারণ করে পেরারিভালন জানান, তিনি অন্যায় ভাবে আটক হওয়া, বিচারে বিলম্ব হওয়া এবং বিচারাধীন আসামিদের অধিকার সম্পর্কিত মামলাগুলি নিয়ে কাজ করতে চান। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকেই আইনি পরামর্শে রূপান্তরিত করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন পেরারিভালন। সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে পেরারিভালন বলেন, ‘যে সব বন্দি আইনজীবী জোগাড় করতে পারেন না, আইনি প্রতিনিধিত্বের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন, তাদের আইনি সহায়তা দেওয়ার উপর মনোযোগ দেওয়া হবে।’

পেরারিভালনের নাম তালিকাভুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাজ হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুশ্রুত অরবিন্দ ধর্মাধিকারী। তামিলনাড়ু ও পুদুচেরি বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পিএস অমলরাজ এবং ভাইস চেয়ারম্যান এস প্রভাকরণও অংশগ্রহণ করেন সেই অনুষ্ঠানে। আইনজীবী সিকে চন্দ্রশেখর তালিকাভুক্তির প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন এবং তালিকাভুক্তি কমিটির চেয়ারম্যান কে বালু শপথবাক্য পাঠ করান।

সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

রিপোর্টার্স২৪/ এম এইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪