| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নগরীর বস্তি এলাকার উন্নয়ন করতে চাই - রুকনোজ্জামান রোকন

reporter
  • আপডেট টাইম: মে ২১, ২০২৬ ইং | ০১:৩১:২৩:পূর্বাহ্ন  |  ৯২৩ বার পঠিত
নগরীর বস্তি এলাকার উন্নয়ন করতে চাই - রুকনোজ্জামান রোকন

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: আপনারা সকলেই অবগত আছেন ময়মনসিংহ নগরীতে কতগুলো বস্তি রয়েছে কিন্তু তাদের জীবন - যাপন সম্পর্কে ধারণা সকলের হয়তো নেই। বস্তি এলাকায় একটা ঘরের রুমে ৪/৫ একসাথে থাকে, এমনকি অনেকেরই ঘর নেই, পলিথিন মুড়িয়ে বা পলিথিন দিয়ে থাকে। বস্তি এলাকার মানুষ এক জনের খাবার পানি নিতে ২৯ মিনিট সময় লাগে কল্পনা করা যায় তাও এই পানি খাবার পুরোপুরি উপযুক্ত নয়, তারা ঈদের দিনে গোশত রুটি তো দূরের কথা অনেকেই ঠিকমতো খাবার খেতে পারে না, আমি ঈদের দিন ওদের সাথে খেয়েছি এবং স্বচক্ষে তা দেখেছি। আমি বস্তি বাসীর জন্য কলের পরিবর্তে সার্বনাস্পিল পাম্প দিয়েছি। বস্তি এলাকার মানুষের জন্য যারা পলিথিনে থাকে তাদের জন্য এই ঈদে টিন দিচ্ছি। তাদের ঈদের দিনের জন্য গোশত ব্যতিত সকল ধরনের বাজার করে দেওয়া হবে। এমনকি যদি জেলা প্রশাসন বস্তি এলাকার জায়গা আমাদেরকে ঘর নির্মাণের অনুমতি দেয় তাহলে আমি তাদেরকে ঘর নির্মাণ করে দিবো এক কথায় নগরীর বস্তি এলাকার মানুষের উন্নয়ন করতে চাই। ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন সেবক হিসেবে ৬০ দিন অতিবাহিত উপলক্ষে সাংবাদিক সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেছেন সিটি প্রশাসক রুকনোজ্জামান রোকন।

গতকাল  বুধবার (২৯ মে) দুপুর ২টায় মসিকের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের ৬০ দিনের কর্মযজ্ঞ তুলে ধরে এই  মতবিনিময় সভা করেছেন  ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (মসিক) প্রশাসক মো: রুকুনোজ্জামান রোকন। 

সভায়  নগরীর উন্নয়ন কর্মকান্ডে সাংবাদিকদের সহযোগিতা চেয়ে মসিক প্রশাসক আরও বলেন, এই নগরীর প্রধান সমস্যা ছিলো জলাবদ্ধতা। এটি নিরসনই ছিল সিটি করপোরেশনের বড় চ্যালেঞ্জ। আমি প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহনের ৬৪দিন অতিক্রম হয়েছে। এই সময়ে নগরীর প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দিনরাত কাজ করেছি। ইতিমধ্যে জলাবদ্ধতা সমস্যা অনেকটাই নিরসন হয়ে গেছে। খালগুলো এখন পানি প্রবাহ সচল রয়েছে। তবে স্থায়ী সামাধানে পরিকল্পামাফিক কর্মযজ্ঞ চলমান আছে।

এ সময় নিজেকে রাজনৈতিক কর্মী দাবি করে তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক কর্মী থেকে প্রশাসক হয়েছি, নিজেকে বদলে, নগরীকে বদলে দিতে চাই। জনগণের কল্যাণে কাজ করতে চাই। সিএনজি বাসস্ট্যান্ডের চাঁদাবাজি বন্ধ, আর্চ ব্রীজ দ্রুত শেষ করতে চাই। আমার বিরুদ্ধে আপনারা লিখতে পারেন, কিন্তু আমি সরকারি জমি উদ্ধার করবোই। চরপাড়ার যানজট নিয়ে কোন সেক্রিফাইজ করার সুযোগ নেই। যেকোন মূল্যে চরপাড়া যানজট নিরসন করা হবে। তবে নগরীর মাদক পরিস্থিতি ভয়াবহ রকম খারাপ। আমাদের প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা প্রায় অনিশ্চিত অবস্থা। তাই মাদক নির্মূলে প্রশাসন এবং মিডিয়ার একান্ত সহযোগিতা কামনা করছি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে প্রশাসক বলেন, নগরীর স্বাভাবিক জীবন-যাপন নিশ্চিত করতে হলে কান বন্ধ করে ইনসাফ এবং ন্যায়ের পক্ষে মাঠে থেকে কাজ করতে হবে। এসি রুমে বসে নগরীর সমস্যা সামাধান হবে না। এক্ষেত্রে দুই চার পাঁচ জনের সমালোচনা আমার পথচলা থামবে না। এটি আমার শহর, এই শহরে আমার বেড়ে উঠা, এই শহরের ঐতিহ্য রক্ষায় যেকোন পদক্ষেপ গ্রহন করতে পিছপা হবো না। 

মতবিনিময় সভায় আরো উপস্থিত মসিকের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম মিঞা, প্রধান বজ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোছা: শিরিন সুলতানা, পরিবহন শাখার মহাব্যবস্থাপক রাজিব উল আহসান, আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদ হাসান খান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম সহ সাংবাদিকবৃন্দরা।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪