| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হরমুজ প্রণালি বন্ধের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অস্বীকার

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১১, ২০২৬ ইং | ১৪:১২:০৫:অপরাহ্ন  |  ২৭৪ বার পঠিত
হরমুজ প্রণালি বন্ধের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের অস্বীকার
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক কমান্ড হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হবে। ইরানি গণমাধ্যমের দাবি, দুটি মার্কিন জাহাজেও হামলা করা হয়েছে।

তবে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড এ দাবি অস্বীকার করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়নি এবং তাদের কোনো জাহাজও আক্রান্ত হয়নি। ইরানের হুমকি সত্ত্বেও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর নিজেদের অবরোধ বহাল রেখেছে। বুধবার ওমান উপসাগরে ইরানি তেল বহনকারী একটি জাহাজ নির্দেশনা অমান্য করায় সেটিতে গুলি চালানোর কথাও জানায় ওয়াশিংটন। ওই জাহাজের তিন নিখোঁজ নাবিকের মৃত্যুর খবর দিয়েছে ভারত।

ইরানি সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সিরিক, কারগান, বন্দর আব্বাস, মিনাব, কারাজ এবং উত্তরাঞ্চলের ভারামিনসহ বিভিন্ন শহরে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেছেন, এসব হামলার উদ্দেশ্য হলো ইরানকে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে বাধ্য করা।

ফ্লোরিডায় সেন্ট্রাল কমান্ড সদর দপ্তর সফরকালে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘এই অভিযান আমাদের সামরিক স্বার্থ রক্ষা করবে এবং কূটনৈতিক অবস্থানও আরও শক্তিশালী করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজ রাতেও আমরা জোরালো হামলা চালাব। আশা করছি, ইরান সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। প্রয়োজনে বোমার মাধ্যমেই আলোচনা হবে।’

যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও কয়েক দফায় একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যদিও কূটনৈতিক পর্যায়ে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, তবু এখন পর্যন্ত কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন, একটি চুক্তি খুব কাছাকাছি অবস্থায় রয়েছে। তবে বাস্তবে তার কোনো সুস্পষ্ট ইঙ্গিত দেখা যায়নি।

ইরান অভিযোগ করেছে, মার্কিন হামলায় ১০টি গ্রামের পানীয় জলের উৎস হিসেবে ব্যবহৃত জলাধার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের শামিল।

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, ‘এটি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পার্শ্বক্ষতি নয়; এটি একটি পরিকল্পিত যুদ্ধাপরাধ এবং মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি পেন্টাগন।

চার মাস ধরে চলা এই যুদ্ধে হাজারো মানুষ নিহত হয়েছে এবং বিশ্বে অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ফলে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে।

এদিকে, উচ্চ জ্বালানি মূল্যের কারণে মার্কিন ভোটারদের অসন্তোষ বাড়ায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে বলে বিভিন্ন জরিপে দেখা গেছে। এমনকি রিপাবলিকান পার্টির কয়েকজন নেতাও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, যুদ্ধ নিয়ে জনঅসন্তোষের কারণে নভেম্বরে অনুষ্ঠিতব্য মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ হারাতে পারে দলটি। রয়টার্স 

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪