| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা : পেপারবুক প্রস্তুত, শুনানি শুরু যেকোন দিন

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ১৬, ২০২৬ ইং | ১১:১৬:২২:পূর্বাহ্ন  |  ৭৭৮ বার পঠিত
রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা : পেপারবুক প্রস্তুত, শুনানি শুরু যেকোন দিন

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) এবং জেল আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় নথিপত্র বিজি প্রেস থেকে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছেছে এবং বর্তমানে সেগুলোর যাচাই-বাছাই চলছে। এ প্রক্রিয়া শেষ হলেই হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে মামলার শুনানি শুরু হতে পারে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিচারিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মামলার পেপারবুক ইতোমধ্যে প্রস্তুত হয়ে সুপ্রিম কোর্টে জমা হয়েছে। বর্তমানে নথিপত্র যাচাইয়ের কাজ চলছে। যাচাই শেষে মামলাটি শুনানির জন্য উপযুক্ত বেঞ্চে উপস্থাপন করা হবে।

এর আগে গত ৯ জুন রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের ডেথ রেফারেন্সের নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়।

ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায়ে স্বাক্ষর করার পর ফাঁসির আদেশ অনুমোদনের জন্য মামলার নথি হাইকোর্টে প্রেরণ করা হয়। দেশের আইন অনুযায়ী, কোনো ফৌজদারি মামলায় নিম্ন আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আগে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। এই প্রক্রিয়াই ‘ডেথ রেফারেন্স’ নামে পরিচিত।

গত ৭ জুন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। আসামিদের উপস্থিতিতে আদালত শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে সোহেল রানা এবং স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

একই সঙ্গে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং সহ-আসামি স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত নির্দেশ দেন, অর্থদণ্ডের সম্পূর্ণ অর্থ ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীরা পাবেন।

রায়ে আরও বলা হয়, নির্ধারিত অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই অর্থ ভিকটিমের উত্তরাধিকারীদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, হত্যার আগে শিশু রামিসা ধর্ষণের শিকার হয়েছিল এবং তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও পরে তা প্রত্যাহারের কোনো আবেদন করেননি। আদালতের মতে, এটি প্রমাণ করে যে তিনি স্বেচ্ছায় নিজের অপরাধ স্বীকার করেছিলেন।

পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়, সোহেল রানাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করেছিলেন তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। অপরাধ সংঘটনে সহযোগিতা এবং তা প্রতিরোধে কোনো ভূমিকা না রাখার বিষয়টিও আদালতের বিবেচনায় এসেছে।

এখন পেপারবুক প্রস্তুত হওয়ায় মামলাটির পরবর্তী বিচারিক ধাপ শুরু হতে যাচ্ছে। হাইকোর্টে ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিলের শুনানি শেষে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪