| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

টাঙ্গাইলে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ড

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ৩০, ২০২৬ ইং | ১৭:০০:৩২:অপরাহ্ন  |  ১০২২ বার পঠিত
টাঙ্গাইলে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচার মৃত্যুদণ্ড

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি: টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ভাতিজাকে হত্যার দায়ে চাচা মো. নূরনবীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া অপহরণের দায়ে তাকে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং মরদেহ গুমের দায়ে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আ ন ম ইলিয়াস এই রায় দেন। দণ্ডিত নূরনবী গোপালপুরের নবধূলটিয়া গ্রামের আতাউর রহমানের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় নূরনবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি ওমরাও খান দীপু জানান, ২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর মুক্তিপণের দাবিতে গোপালপুরের নাসির উদ্দিনের নাতি কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফকে কয়েকজনের সহযোগিতায় অপহরণ করেন চাচা নূরনবী। এ ঘটনায় ১১ অক্টোবর নাসির উদ্দিন গোপালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পরের দিন কালিয়াকৈর এলাকা থেকে কেএম রাহেনুল ইসলাম আরাফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গত বছরের ২৭ মে গোপালপুর থানার এসআই মামুন ভূঞা নূরনবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সমস্ত সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মঙ্গলবার আদালতে নূরনবীর বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মৃত্যুদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অপহরণের অভিযোগে ১৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং লাশ গুম করার অভিযোগে ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত নূরনবীকে কারাগারে পাঠানো হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী মহসীন সিকদার জানান, হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই। এ ছাড়া আসামি নূরনবীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতে না পাঠিয়ে তিন দিন পর তার কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায় করে, পরে আদালতে পাঠায়। তিনি মনে করেন, আসামি নূরনবী ন্যায়বিচার পাননি। এ মামলায় উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।


রিপোর্টার্স/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪