| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

৩০০ টাকার কাচাঁ মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি, ১০ দিনে ২৩৩ টন আমদানি

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ১৭, ২০২৬ ইং | ২০:২১:৫৩:অপরাহ্ন  |  ৪০২ বার পঠিত
৩০০ টাকার কাচাঁ মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি, ১০ দিনে ২৩৩ টন আমদানি

বেনাপোল  প্রতিনিধি : ভারত থেকে বেনাপোল দিয়ে কাচাঁ মরিচ আমদানি স্বাভাবিক থাকায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। সে কারণে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে কাঁচা মরিচের দামে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে যশোরের শার্শা-বেনাপোলসহ বিভিন্ন খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে ২০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। হঠাৎ এই দরপতনে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এখন ৩০০ টাকার মরিচ ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ভারত থেকে বেনাপোল দিয়ে ১০ দিনে ২৩৩ টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে।

গত ৩ আগস্ট প্রথম চালানে ৯,২০০ কেজি (৯.২ টন), ৪ আগস্ট দ্বিতীয় চালানে ৪২,২২০ কেজি (৪২.২২ টন), ৬ আগস্ট ১৪,০০০ কেজি (১৪ টন), ৮ আগষ্ট ১৫,০০০ কেজি (১৫ টন), ৯ আগস্ট ১৪,০০০ কেজি (১৪ টন), ১০ আগষ্ট ১৪,০০০ কেজি (১৪ টন), ১১ আগষ্ট ৫৬,০০০ কেজি (৫৬ টন), ১২ আগস্ট ২৮,০০০ কেজি (২৮ টন), ১৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার ২৮,০০০ কেজি (২৮ টন) এবং সবশেষ রবিবার (১৬ আগস্ট) ১৩,৫০০ কেজি (১৩.৫ টন) কাচাঁ মরিচ ভারত থেকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়। এ নিয়ে ৩ আগস্ট থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত ১০ কার্যদিবসে প্রায় ২৩৩ টন কাঁচা মরিচ বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি হয়েছে। আমদানি শুরু হওয়ায় শার্শা-বেনাপোলসহ আশেপাশের সব বাজারে মরিচের দাম ৩০০ টাকা থেকে কমে বর্তমানে বাজারে ১০০-১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সোমবার শার্শার বেনাপোল, নাভারন ও বাগআঁচড়া বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন বাজার দর।

সরেজমিনে এসব খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকায়। অথচ মাত্র দুই সপ্তাহ আগে সরবরাহের ওপর নির্ভর করে প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয়েছিল ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত।

তবে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ আমদানি হওয়ার কারণে দামে অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। শুধু তাই নয়, দেশের প্রধান মরিচ উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলো থেকেও মরিচের জোগান বাজারে হঠাৎ অনেকাংশ বেড়েছে বলেও মনে করেন তারা।

বেনাপোল বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা রাশেদ আলী বলেন, পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে নিয়মিত কাঁচা মরিচ আমদানি অব্যাহত থাকায় বাজারে সরবরাহের কোনো ঘাটতি হয়নি। একইসঙ্গে বন্যার কারণে কৃষকের উৎপাদন ব্যাহত হলেও এখন বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পাইকারি বাজারে মরিচ আসছে, এতে দাম কমে এসেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বাজার করতে আসা রাসেল হোসেন সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, রান্নাবান্নার অন্যতম প্রয়োজনীয় পণ্য কাঁচা মরিচ। কয়েক দিন আগেও দাম অতিরিক্ত থাকায় ৫০ গ্রামের বেশি কিনতে হিমশিম খেতে হতো। ২০০ টাকা পর্যন্ত দাম কমে যাওয়া সত্যি স্বস্তিদায়ক বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আমদানিকারক শামীম হোসেন বলেন, কাচাঁ মরিচ আমদানির প্রভাবে বাজারে তিন ভাগের দুইভাগ দাম কমে গেছে। প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে কাচাঁ মরিচ আমদানি হচ্ছে। এ ধারাবাহিকতা অব্যহত থাকলে কাচাঁ মরিচের দাম কমে ৫০ টাকায় নেমে আসবে। তখন আর আমদানিকে পোষাবে না।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, পচনশীল কৃষিপণ্যের বাজার হঠাৎ ওঠানামা ঠেকাতে স্থায়ী সংরক্ষণাগার গড়ে তোলা জরুরি। এ ছাড়া স্থানীয় সরবরাহ ভালো থাকলে আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে বাজারকে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলে মনে করছেন তারা।

বেনাপোল চেকপোস্ট উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপ-সহকারী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার নাথ জানান, ভারত থেকে প্রতিদিনই কাচাঁ মরিচ বাংলাদেশে আমদানি হচ্ছে। সে কারনে বাজারে দাম ৩০০ থেকে নেমে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি মাসের ৩ থেকে ১৬ তারিখের মধ্যে ১০ কার্যদিবসে প্রায় ২৩৩ টন কাচাঁ মরিচ বেনাপোল বন্দরে আমদানি হয়েছে। আরও বেশ কিছু কাচাঁ মরিচ বোঝাই ট্রাক পেট্রাপোল বন্দর থেকে বেনাপোল বন্দরে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে। এ চালানগুলো ঢুকলে দাম আরও কমে যাবে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪