শেরপুর প্রতিনিধি: শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নে খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষ হয়েছে কয়েক দিন আগে। খাল খননের জন্য সরকারি বাজেটের অব্যয়িত ৬৮ লাখ ২৬ হাজার ৩৮৭ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা বিনতে রফিক। প্রকল্পটির আওতায় ৪ দশমিক ২২৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের পাশাপাশি কৃষকদের সেচসুবিধা বাড়ানো, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে।বর্তমানে ওই খালটি এলাকায় বিশেষ সৌন্দর্য সৃষ্টি করেছে।আর টাকা ফেরৎ দেওয়াতে প্রশংসায় ভাসছে।
জানা গেছে অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি’ (ইজিপিপি) প্রকল্পের আওতায় দেশব্যাপী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শেরপুর সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের সাহাব্দীরচর থেকে কামারেরচর বাজার হয়ে পয়েস্তিরচর পর্যন্ত কাটাখালী খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ প্রকল্পের জন্য সরকার মোট ২ কোটি ৫৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খননকাজ সফল সমাপ্ত হয়। কাজ শেষে বরাদ্দের অব্যয়িত ৬৮ লাখ ২৬ হাজার ৩৮৭ টাকা গত ১৩ আগস্ট সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন সুত্র জানিয়েছে। খালের দুই পাশে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি বৃক্ষ রোপণ করা হয়েছে। এর মধ্যে কৃষ্ণচূড়া, বকুল, জারুল ও সোনালুসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে।
গত ১৩ মার্চ শেরপুর সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি ডাঃসানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা এই কাজের উদ্বোধন করেন।কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে ওই এমপি বেশ খোঁজ খবর রাখেন।
শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও প্রকল্পের সভাপতি আসমা বিনতে রফিক বলেছেন অত্যন্ত জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে খাল খনন শেষে ৬৮ লাখ ২৬ হাজার ৩৮৭ টাকা বেঁচে গেছে। বেঁচে যাওয়া টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। এই খাল পুনঃখননের ফলে ওই এলাকার কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে।পরিবেশের জন্যও খুব ইতি বাচক হবে।মিঠা পানির প্রচুর মাছ পাওয়া যাবে
শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিন বলেছেন সরকারি কোষাগারে টাকা ফেরৎ দেওয়া দৃষ্ঠান্ত মুলক।সর্বস্তরে জবাবদিহি নিশ্চত করলে সরকারের অনেক টাকা বেঁচে যাবে। ওই খালটি খননের সিদ্ধান্ত স্থানীয়দের জন্য সুসংবাদ ছিল। খননের ফলে বর্তমানে খালে নৌকা চলাচল করছে এবং পর্যাপ্ত দেশি মাছও পাওয়া যাচ্ছে।
সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি সানসিলা জেবরিন প্রিয়াংকা বলেছেন সবার প্রচেষ্ঠায় খালটি সুন্দর হয়েছে।উপরন্ত সরকারের ৬৮ লক্ষ টাকা বাঁচানো সম্ভব হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব