| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ২২, ২০২৬ ইং | ০০:৩৭:৫৯:পূর্বাহ্ন  |  ৫৫৮ বার পঠিত
ফেসবুকে ইলিশ বিক্রির নামে প্রতারণা, চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

চাঁদপুর প্রতিনিধি: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ইলিশ মাছসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া সংঘবদ্ধ চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাদের কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল ফোন, সিমকার্ড ও নগদ ৬০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে নড়াইল জেলার কালিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে চাঁদপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন-নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম এলাকার মো. হাবিবুর রহমান (৪১) এবং একই ইউনিয়নের চাঁদপুর মধ্যপাড়া এলাকার মো. রকিবুল হাসান নয়ন (৩৬)।

পুলিশ জানায়, প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের চাঁদপুর সদর মডেল থানায় করা সাধারণ ডায়েরি ও বিভিন্ন ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অনুসন্ধান শুরু করে জেলা পুলিশ। একপর্যায়ে চক্রটির সন্ধান পায় ডিবি।

চক্রটি বিভিন্ন ফেসবুক পেজে ইলিশ মাছসহ নানা পণ্য বিক্রির আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের প্রলুব্ধ করত। পরে পণ্য সরবরাহের কথা বলে মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে টাকা গ্রহণ করে তা আত্মসাৎ করত।

গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এসআই মো. আনছার উল্লাহ ও মো. জিয়াউল হক জিয়ার নেতৃত্বে ডিবির একটি দল কালিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালায়। অভিযানে এলআইসি শাখার এএসআই মো. ইলিয়াছ শাহ, ডিবির এএসআই জহির উদ্দিনসহ পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযানের প্রথম ধাপে ২০ আগস্ট রাতে কালিয়া থানার পুরুলিয়া ইউনিয়নের নোয়াগ্রাম এলাকায় অভিযান চালিয়ে হাবিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই রাতে চাঁদপুর মধ্যপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে রকিবুল হাসান নয়নকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তাররা তাদের সহযোগীদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইলিশসহ বিভিন্ন পণ্য বিক্রির নামে প্রতারণা করে আসছিলেন। এ চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজনসহ পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সাইবার সুরক্ষা আইন ও পেনাল কোডের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।

চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, অনলাইনে পণ্য কেনাবেচার ক্ষেত্রে অপরিচিত ব্যক্তি বা ফেসবুক পেজের মাধ্যমে লেনদেনের আগে যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করতে হবে। প্রতারণার সঙ্গে জড়িত চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রিপোর্টার্স২৪/ধ্রুব

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪