| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

চবির মেরিন সায়েন্স বিভাগে নিয়োগ পরীক্ষায় অসংগতির অভিযোগ

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ৩০, ২০২৫ ইং | ১৫:১২:৪৯:অপরাহ্ন  |  ১৫৩১৩০৪ বার পঠিত
চবির মেরিন সায়েন্স বিভাগে নিয়োগ পরীক্ষায় অসংগতির অভিযোগ
ছবির ক্যাপশন: চবির মেরিন সায়েন্স বিভাগে নিয়োগ পরীক্ষায় অসংগতির অভিযোগ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস’র গ্রন্থাগার সহকারী গ্রেড-২ পদে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত আইনের ব্যত্যয়ের অভিযোগ তুলে তা বাতিল করার দাবি তুলেছেন অত্র ইনস্টিটিউটের নির্বাচনী বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য ও ইনস্টিটিউটটির পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ আফতাব উদ্দিন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮৯ তম সিন্ডিকেট সভার ২৫ নং সিদ্ধান্ত অনুসারে ৯ এপ্রিল ২০২৫ থেকে দুই বছরের জন্য ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস’র তৃতীয় শ্রেণির নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত কমিটির বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে মনোনীত হন অধ্যাপক ড. শেখ আফতাব উদ্দিন।


গত ২৫ জুন সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) এর অফিস কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়টির ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস’র গ্রন্থাগার সহকারী গ্রেড-২ এর একটি শূন্য পদে প্রার্থী নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু এতে আমন্ত্রিত নির্বাচনী বোর্ডের বিশেষজ্ঞ সদস্য অধ্যাপক ড. শেখ আফতাব উদ্দিন উপস্থিত হলেও তাকে বাদ দিয়ে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে নিয়োগ নির্বাচনী পরীক্ষা শুরু করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টির রেজিস্ট্রার বরাবর প্রেরিত অধ্যাপক ড. শেখ আফতাব উদ্দিনের এক লিখিত পত্রে তিনি বলেন, “বিগত প্রশাসনের সময়ে আমি যাওয়ার পরেই নির্বাচনী বোর্ডের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে নিয়মানুযায়ী পরীক্ষা শুরু করা হতো। সুতরাং নির্বাচনী বোর্ডের একজন বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে ২৫-০৬-২০২৫ ইংরেজি তারিখে অনুষ্ঠিত উক্ত পদের নির্বাচনী পরীক্ষা মেনে নিতে পারছি না বিধায় উক্ত পরীক্ষা বাতিল করে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. শেখ আফতাব উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিশেষজ্ঞ সদস্য এটার জন্য প্রযোজ্য না। গ্রন্থাগার সহকারী গ্রেড-২ লাইব্রেরী সাইন্সের ইসু, লাইব্রেরী সাইন্সের ইসু হওয়ার কারনে আমরা লাইব্রেরী সাইন্সের যিনি লাইব্রেরি পরিচালক আলমগীর সাহেব এই প্রশ্নটা করেছেন, করার পর পরীক্ষা নিয়েছেন। এটা ঠিকমতো উনি বুঝতে পারেননি।



রিপোর্টার্স২৪/আরএইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪