বগুড়া প্রতিনিধি:বগুড়ার মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত আরও ৬ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্বজনহারা পরিবারে চলছে শোকের মাতম। হাসপাতাল করিডোরে কান্না আহাজারি দেখা গেছে।
সোমবার ভোরে শাজাহানপুর উপজেলার রানীরহাট-মালঞ্চা আঞ্চলিক সড়কে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স উল্টে এক নারী নিহত হয়। দুর্ঘটনায় আহত হন আরও তিনজন। একইদিন সকাল ৯ টার দিকে বগুড়া শহরতলীর টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঘটে। বাসের ধাক্কায় অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত ও আহত হন তিনজন।
নিহতরা হলেন-কাহালু উপজেলার রামপুর মহল্লার মজনু আকন্দের ছেলে সিএনজি চালক শফিকুল ইসলাম (৪৫), জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে আরাফাত হোসেন (১৭) এবং বগুড়া সদর উপজেলার বানদিঘী ইসবপুর মহল্লার নুরুজ্জামান মন্ডলের স্ত্রী খাদিজা বেগম (৫২)।
এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুন্দারহাট হাইওয়ে থানার ওসি রইচ উদ্দিন ও শাজাহানপুর থানার ওসি আশিক ইকবাল। এসব ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ঘাতক বাস শনাক্ত করা যায়নি। পৃথক দুর্ঘটনায় আহত ৬ জনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, টিএমএসএস হাসপাতালের সামনে মহাসড়কে অজ্ঞাত বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই চালক শফিকুল ইসলাম ও যাত্রী আরাফাত মারা যান।
এদিকে, স্বজনের মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন খাদিজা বেগম। তার ছেলে, পুত্রবধূ ও নাতি আহত হয়েছে। শাজাহানপুর উপজেলার মাথইলচাপড় এলাকার আঞ্চলিক সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, খাদিজা বেগমের কন্যা জান্নাতির শাশুড়ি কোহিনূর বেগম (৭০) অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোববার রাতে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। ভোরে একটি অ্যাম্বুলেন্সে লাশ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন খাদিজা। পথিমধ্যে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে সেতুর রেলিংয়ে ধাক্কা খেয়ে উল্টে যায়।
রিপোটার্স২৪/আরাফাত