| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মেহেরপুরে কোটি টাকার সড়কে নির্মাণে নিন্মমানের ইট, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

reporter
  • আপডেট টাইম: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ইং | ১৬:১৬:৩৭:অপরাহ্ন  |  ২৮৮ বার পঠিত
মেহেরপুরে কোটি টাকার সড়কে নির্মাণে নিন্মমানের ইট, ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

মেহেরপুর প্রতিনিধি: দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর সড়ক পাকা করার কাজ শুরু হলেও নির্মাণকাজে নিন্মমানের ইট ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন মেহেরপুর সদর উপজেলার বারাদি ইউনিয়নের সিংহাটি গ্রামের স্থানীয় চাষীরা। তাদের অভিযোগ, যথাযথ মান বজায় না রেখে দায়সারা কাজ করা হলে কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি অল্প সময়েই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

সদর উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে জিআরআইডিপি প্রকল্পের আওতায় শোলমারি মুচিগাড়ি ও সিংহাটি নাড়াপোতা মাঠ এলাকায় প্রায় ১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে সড়ক নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় শোলমারি মুচিগাড়ি এলাকায় ১ হাজার ৩০০ মিটার এবং সিংহাটি নাড়াপোতা মাঠ এলাকায় ৭৫০ মিটার সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। কাজটির কার্যাদেশ পেয়েছে জান্নাতুল ফেরদৌস স্বত্বাধীকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইএমএস সলিউশন।

বর্তমানে সিংহাটি নাড়াপোতা মাঠ এলাকার অংশে ডবিøউবিএম এর স্তরের কাজ চলছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণকাজে প্রকল্পের নির্ধারিত মান ও নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না।

সরেজমিনে দেখা যায়, ডবিøউবিএম স্তরের কাজে উন্নতমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের পরিবর্তে আধলা, কাদা-মাটি মাখানো এবং দেয়াল ভাঙা সিমেন্টযুক্ত জোড়া লাগা নিন্মমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া সাব-বেস স্তরে কাঁদাযুক্ত বালু ব্যবহারেরও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, রাস্তার প্রাথমিক কাজের সময়ও নিন্মমানের বালু ও নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগের পর কিছু বালু সরিয়ে নেওয়া হলেও পরবর্তীতে নিন্মমানের বালু ও ইট দিয়ে কাজ সম্পন্ন করা হয়। দীর্ঘ বিরতির পর দ্বিতীয় স্তরের কাজ শুরু হলে এবারও নিন্মমানের ইটের খোয়া ব্যবহার করতে দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা বলেন, এই মাঠে এলাকার প্রায় দুই হাজার মানুষের জমি রয়েছে। মাঠে বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদন করেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার নির্মাণকাজ চলায় কৃষিপণ্য পরিবহনসহ চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। তার ওপর নিন্মমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হলে রাস্তা টেকসই হবে না। এতে তাদের ভোগান্তি আরও বাড়বে।

তাদের ভাষ্য, দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করে রাস্তা নির্মাণ করা হলেও কাজের মান নিয়ে এখন নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সড়কটি যেন দ্রæত নষ্ট না হয়, সেজন্য নির্মাণকাজে নির্ধারিত মান বজায় রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে নির্মাণকাজে নিন্মমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়ে ঠিকাদার শিমুলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. আক্তার হোসেন বলেন, যদি কোনো ধরনের নিন্মমানের নির্মাণসামগ্রী থাকে, তাহলে সেগুলো ঠিকাদারকে অপসারণ করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। কোনো অনিয়ম আমি মানব না।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম  

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪