| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

মুরগির বাজার চড়া , স্বস্তিতে মাছ

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১১, ২০২৫ ইং | ০৭:০৩:১৯:পূর্বাহ্ন  |  ১৭২৫৪৭৮ বার পঠিত
মুরগির বাজার চড়া , স্বস্তিতে মাছ
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত ছবি

📍 রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক

রাজধানীর কাঁচাবাজারে ফের বাড়তির দিকে ব্রয়লার মুরগির দাম। ঈদের পর খানিকটা কমলেও এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে এই মুরগির দাম। হঠাৎ এই বৃদ্ধিতে হতভম্ব ক্রেতারা। তবে মাছের বাজার কিছুটা স্থিতিশীল থাকায় সেখানে স্বস্তি খুঁজছেন সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (১১ জুলাই) সকালে রামপুরা, বনশ্রীসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতা–ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬৫–১৭০ টাকা কেজিতে, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪৫–১৫০ টাকার মধ্যে। সোনালি মুরগিও এখন কেজিপ্রতি ৩০০ টাকা, এক সপ্তাহ আগেও যা ছিল ২৮০ টাকা।

গত বছর সেপ্টেম্বরে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর ব্রয়লার মুরগির সর্বোচ্চ দাম ১৮০ টাকা নির্ধারণ করেছিল। বাজার আবার সেই স্তরের কাছাকাছি পৌঁছেছে।


রামপুরা বাজারে মুরগি কিনতে এসে গৃহিণী হাসিনা আক্তার বলেন, “গত সপ্তাহে তো ১৫৫ টাকায় কিনেছি, আজকে হঠাৎ ১৭৫ বলছেন কেন?”

বিক্রেতা মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “আমরা নিজেরা দাম বাড়াই না। ফার্ম থেকেই এখন ১৬০–১৬৫ টাকা পড়ছে। আমাদের যদি ১০ টাকা লাভ না থাকে, চলবে কীভাবে?”

পোশাককর্মী রেজাউল করিম বলেন, “মুরগি তো গরিবের প্রোটিন। ১৪০–১৫০ এর মধ্যে থাকলে সবাই খেতে পারে। এখন তো মনে হচ্ছে এটাও বাদ দিতে হবে!”


বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছেন, সরবরাহে বিঘ্ন ও পরিবহন ব্যয় বাড়ার সুযোগ নিয়ে ফার্ম ও পরিবহনচক্র মিলে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তবে খাত সংশ্লিষ্টদের দাবি, বর্ষা ও ফিডের দাম বাড়ার কারণে এই ঊর্ধ্বগতি।


বনশ্রীর এ ব্লকের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, মাছের বাজারে ক্রেতার ভিড় তুলনামূলক বেশি। তাজা রুই, কাতল, পাবদা, চিংড়ি পাওয়া যাচ্ছে প্রচুর।

বর্তমানে মাছের বাজারে দাম : (প্রতি কেজি) রুই-কাতল ৩০০–৩৪০ টাকা, পাবদা ৩৫০–৪০০ টাকা, চিংড়ি ৬৫০–৭০০ টাকা, টেংরা ৬০০–৭০০ টাকা, শিং ৪০০–৪৫০ টাকা, কৈ ২০০–২২০ টাকা, তেলাপিয়া/পাঙ্গাস ১৮০–২০০ টাকা, দেশি শিং ও কৈ যথাক্রমে ১২০০ ও ১০০০ টাকা।


শিক্ষক মনিরুল ইসলাম বলেন, “মাংসের চেয়ে মাছ এখন অনেক বেশি ‘ব্যালান্সড’। আমাদের মতো মধ্যবিত্তের জন্য এটা অনেকটাই সহনীয়।”

বিক্রেতা হুমায়ুন কবির জানান, “ঈদের পর মানুষ মাছেই ঝুঁকছে। দাম বাড়েনি, বিক্রিও ভালো।”


ঈদের এক সপ্তাহ পেরোলেও এখনো অনেকের ঘরেই কোরবানির মাংস রয়েছে। সেই কারণে গরু ও খাসির মাংসের দোকানগুলোতে চলছে বিক্রির খরা। দামও কমেনি। গরুর মাংস: ৭৫০–৭৮০ টাকা, খাসি: ১১০০ টাকা, ছাগল: ১০০০ টাকা।


রামপুরা বাজারের মাংস ব্যবসায়ী মো. কবির হোসেন বলেন, “এখনো লোকজন মাংস কিনছে না। যারা কোরবানি দেয়নি, তারাও মাছ-মুরগিতে চলে গেছে।”



📎 রিপোর্টার্স২৪/এস

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪