কয়েকদিন ধরে শতাব্দী ধরে অ্যালোভেরা বিস্ময়কার নিরাময় বৈশিষ্ট্য এবং প্রাকৃতিক উপকারিতার জন্য পারিচিত। এই উপকারী উদ্ভিদ ত্বকের জ্বালাপোড়া প্রশমিত করতে, হজমের স্বাস্থ্য উন্নত করতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। কিন্তু আপনি কি জানেন যে খালি পেটে অ্যালোভেরার জুস পান করা কতটা উপকারী? এই সহজ অভ্যাস আপনার দৈনন্দিন রুটিনে যোগ করে সুস্থতা বজায় রাখা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক সকালে খালি পেটে অ্যালোভেরার জুস খেলে কী হয়-
ব্যস্ত জীবন ও ভুল জীবনযাপনসহ নানা কারণে মানুষ শারীরিক ও মানসিক চাপ পড়ে। এ ছাড়া অনেকেরই কেক, কোল্ড ড্রিংকস, চকোলেট ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খাওয়ার প্রবণতা রয়েছে। এসব খাবারে চিনির পরিমাণ অনেকটাই বেশি। এই চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি করে।
বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্যান্সার। গবেষণা বলছে, খাদ্যাভ্যাস ক্যান্সারের ঝুঁকিকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে ছোট ছোট পরিবর্তন এই রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে।
ভালোবাসার সম্পর্ক ভেঙে গেলে মানসিকভাবে সেটা সামাল দেওয়া সত্যিই কঠিন। মন ভেঙে যায়, আত্মবিশ্বাস নড়বড়ে হয়ে পড়ে। কেউ চুপচাপ হয়ে যান, কেউ আবার নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেন।
পিরয়িডের লক্ষণ সব নারীর ক্ষেত্রে একরকম হয় না। তাছাড়া বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটি পরিবর্তিত হতে পারে। পিরিয়ডের সময় যাদের খুব একটা সমস্যা হয় না, তারা ভাগ্যবতী। তবে এরকম নারীর সংখ্যা কম। অনেকের ক্ষেত্রে এসময় অস্বস্তির চেয়েও বেশি মাথাব্যথা, পা অসাড়তা/ঝিনঝিন এবং স্তনে ব্যথা ইত্যাদি সমস্যা সাধারণ। এছাড়াও পিরিয়ডের সময় ঘুম ঘুম অনুভব করাও একটি পরিচিত সমস্যা। যা চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা পিরিয়ডকালীন ক্লান্টি হিসাবে উল্লেখ করেন।
রিলস দেখার নেশা শুধু টিনএজার জেন জি-দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এখনকার জেন আলফা অর্থাৎ ৪-৫ বছর বয়সী শিশুরাও যখনই হাতে মোবাইল পায়, তখনই রিলস দেখতে শুরু করে। অনেক সময় বাবা-মা নিজের কাজ সারার সুবিধার জন্য সন্তানকে মোবাইল ধরিয়ে দেন। কিন্তু খেয়াল রাখেন না যে, সেই মোবাইল শিশুর অভ্যাসে কতটা প্রভাব ফেলছে।
সকাল থেকেই দিনের ছন্দ ঠিক হয়ে যায়—এমনটাই বলে থাকেন অনেকেই। অর্থাৎ, আপনি যেভাবে দিন শুরু করবেন, সেভাবেই কাটবে সারাদিন।
গরম বা হিটওয়েভ শুধু অস্বস্তিই সৃষ্টি করছে না, এটি নীরবে মানুষের বার্ধক্য প্রক্রিয়াও ত্বরান্বিত করছে—সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।
কোলন ক্যান্সার কোলন বা মলদ্বারের টিস্যুতে বিকশিত হয়। বিশ্বজুড়ে পুরুষ এবং মহিলাদের উভয়ের ক্ষেত্রেই সবচেয়ে সাধারণ ধরনের ক্যান্সারের মধ্যে এটি একটি। বৃহৎ অন্ত্র (কোলন) থেকে শুরু করে, এটি পলিপ নামক কোষের ছোট, ক্যান্সারবিহীন স্তূপ থেকে বিকশিত হয়। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ক্যান্সারের মৃত্যুর দ্বিতীয় প্রধান কারণ। আরও উদ্বেগজনক বিষয় হলো যে, কোলন ক্যান্সার তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে ক্রমশ সাধারণ হয়ে উঠছে। তবে সুসংবাদ হলো, কিছু সবজি আপনাকে এই রোগের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই দূরে রাখতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
অতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়ার ফলে আপনি মোটা হয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়া আপনার পেটে জমেছে চর্বি। আর দেহের বাড়তি মেদ কমাতে কেউ কেউ ডায়েট করেন আবার কেউ কেউ ব্যায়াম। তবে এসবে দেখা যায়, শরীরের অন্যান্য অংশের মেদ কমলেও সহজে পেটের মেদ কমে না। তাই পেটের মেদ কমাতে সকালে এই কাজগুলো করুন।
তেঁতুল এমন একটি ফল যার নাম শুনলেই মুখে পানি আসে। অনেকেই ত্বকের যত্নে তেঁতুল ব্যবহার করে থাকেন। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহবিরোধী বৈশিষ্ট্য রয়েছে তেঁতুলে। এই ফল দিয়ে ত্বকের যত্ন কীভাবে নেওয়া যায়, জেনে নিন।
নারীর সাজের অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে লিপস্টিক। লিপস্টিক ঠোঁটের পাশাপাশি মুখের সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়। অনেকের ধারণা, ঠোঁটে প্রতিদিন লিপস্টিক লাগালে ঠোঁট কালো হয়ে যায়।
আপনি কি বলিরেখামুক্ত উজ্জ্বল ত্বক চান? তাহলে কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবারই হতে পারে এর সমাধান! এই প্রোটিন ত্বককে তরুণ এবং মসৃণ দেখায়। আপনি কি জানেন যে, আমাদের প্রতিদিনের খাবার ত্বককে সুস্থ রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে? অভিনব ক্রিম বা দামি সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন নেই। কিছু দৈনন্দিন পানীয় শরীরকে কোলাজেন তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। এই পানীয়গুলোতে পুষ্টিগুণ থাকে, যা ত্বকের স্বাস্থ্যকে সহায়তা করে। প্রতিদিনের রুটিনে এগুলো যোগ করে আপনি আরও সুস্থ, উজ্জ্বল ত্বক পেতে পারেন।
প্রায় সবার শরীরেই কম-বেশি তিল রয়েছে। জন্মের পর থেকেই খেয়াল করা যায় তা। আর এই ছোট্ট একটি মাত্র তিল কয়েকগুণ রুপসৌন্দর্য বাড়িয়ে তুলতে পারে মানুষের। কারও কপালে, কারও গালে, ঠোঁটের নিচে, চোখের পাশে কিংবা শরীরের অন্যান্য জায়গায় তিল থাকে। তিল সৌন্দর্য বাড়ায় বলে অনেকের কাছেই পছন্দের।