অন্তর্বর্তী সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত শক্তভাবে নিতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন সাংবাদিক ও লেখক আমিরুল মোমেনীন মানিক। তিনি বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকার এখন পর্যন্ত কোনো সাহসিকতা-দৃঢ়তা কোথাও দেখাতে পারেনি। প্রত্যেকটা জায়গাতেই সমন্বয়হীনতা-আলস্য। কি যেন একটা বিভ্রাট এবং বিভ্রান্তির মধ্যে কর্মকাণ্ডগুলো হচ্ছে।
২০২৫ সালের বর্ষা যেন বাংলাদেশকে নতুন করে স্মরণ করিয়ে দিল, জলবায়ু পরিবর্তন আর ভবিষ্যতের হুমকি নয়, এটি এখনকার কঠিন বাস্তবতা।
ক্রমেই ঘোলাটে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশ আসলে কোন দিকে যাচ্ছে? এই প্রশ্ন এখন মানুষের মাঝে। বিশ্লেষকদের কেউ-কেউ বলছেন, জুলাই সনদের মতানৈক্যে দেশ হাঁটছে এক অনিশ্চিত গন্তব্যের দিকে। যেখানে প্রবলভাবে অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে জাতীয় নির্বাচন ও দেশের অগ্রগতি। অবশ্য, কারো-কারো অভিমত নতুন সংবিধান ও গণপরিষদ নির্বাচনের প্রশ্ন মিমাংসা না করলে, দীর্ঘমেয়াদে ভালো থাকবে না বাংলাদেশ।
২০২৬ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি প্রবর্তন করা না হলে জামায়াতে ইসলামী নির্বাচন বর্জন করতে পারে বলে ইতিমধ্যেই দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ইসলামিক দল পিআর পদ্ধতি প্রণয়ে দাবি জানাচ্ছে। অন্যদিকে দেশের সর্ববৃহত্তম রাজনৈতিক দল বিএনপি এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে।
আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। পিআর পদ্ধতি নয়, আগের নিয়মেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।
শুধু বিএনপিই নয়, জামায়াতেও চাঁদাবাজ রয়েছে। কিন্তু বিএনপিকে পরিকল্পিতভাবে চাঁদাবাজ ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে, প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে। বিএনপি চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়ার পরেও দলটিকে টার্গেট করেই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের এক টক শোতে হাজির হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
পুষ্টিমানের দিক দিয়ে মলা মাছ একটি আদর্শ মাছ।আমাদের দেশের অঞ্চল ভেদে মলা মাছ বিভিন্ন নামে পরিচিত। তার মধ্যে ময়া মোয়া, মকা, মৌকা, মুদে, মোলঙ্গী, মৌরালা, মলেন্দা ও মৌচি নামে পরিচিত। মলা মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Amblypharyngodon microlepis. এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ,ডি,ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম,ফসফরাস, আয়রন সহ অনেক খনিজ পদার্থ থাকে।
১৯৭২ সালের পর থেকে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রে যখন ক্রমবর্ধমানভাবে অস্বাভাবিক মৃত্যু ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটছিল। ঠিক তখই প্রখ্যাত বাম রাজনীতিক ও সাংবাদিক নির্মল সেন প্রশ্ন তুলেছিলেন যে এমন একটি দেশে স্বাভাবিক মৃত্যুর জন্যও প্রার্থনা করতে হবে কিনা ? সেই সময়টা তিনি কলাম লিখেছিলেন "স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই" । এই স্লোগানটি শুধুমাত্র নির্মল সেনের ব্যক্তিগত উদ্বেগ ছিল না, বরং এটি সাধারণ মানুষের উদ্বেগ ও হতাশারও প্রতিচ্ছবি ছিল
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মোস্তফা ফিরোজ বলেছেন, এনসিপির জন্য প্রতিদিনই হতাশার খবর আসছে। সর্বশেষ রাজশাহীর এনসিপি’র যুগ্ম সমন্বয়ক শামীমা সুলতানা পদত্যাগ করেছেন। এগুলোর একটা প্রভাব আছে। ডাকসু নির্বাচনে পরাজয়।
১৯৬২ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর ঐতিহাসিক শিক্ষা দিবস। শিক্ষার অধিকার আদায়ে এই দিনেই ঢাকার রাজপথে তৎকালীন পাকিস্তানী শাসকগোষ্টির পুলিশের গুলিতে জীবন উৎস্বর্গ করেছিল মোস্তফা ওয়াজিল্লাহ, বাবুল প্রমুখ ছাত্র নেতারা। পাকিস্তানের সামরিক শাসক ফিল্ডমার্শাল আইয়ুব খানের শাসনামলে শরীফ কমিশনের নেতৃত্বে একটি শিক্ষানীতি প্রনয়ণ করা হয়েছিল।
নেপালের প্রধানমন্ত্রীও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছেন। তবে সেখানে স্টুডেন্টরা পলিটিক্যাল পার্টি করতে যায়নি। ছাত্ররা দল না করলে অভ্যুত্থানের চেতনা নষ্ট হয়ে যাবে এমন বয়ান ওঠেনি। বরং তারা পড়ার টেবিলে ফিরে গেছে। সম্প্রতি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের একটি টক শোতে এসব কথা বলেন বিএনপির সহ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা।
মগের মুল্লুকের মতো মবের মুল্লুক নামে আরো একটি কুখ্যাত বাগধারার কবলে পড়েছে দেশ বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ ও কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি।
বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে প্রায় প্রতিদিনই খবর থাকে। বিশেষ করে দূরপাল্লার দ্রুতগতির বাস দুর্ঘটনার খবর এখন যেন অস্বাভাবিক কিছু নয়, বরং দুঃখজনক এক দৈনন্দিন বাস্তবতা। একেকটি দুর্ঘটনা ঘটলেই কয়েক মিনিটের মধ্যে বহু পরিবার স্বজনহারার বেদনা নিয়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়। আর যারা বেঁচে যান, তাদের অনেকে আজীবন পঙ্গুত্ব বরণ করেন।
কেউ কেউ আওয়ামী লীগের লোকজনের সঙ্গে মিশে তাদের সম্পত্তি-ব্যবসার ভাগ বিদেশে পাঠাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন। তিনি এসব ব্যক্তিদের সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ কোনো দিন ফিরে এলে তোমাদের হাড্ডিও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্রদলের ভরাডুবির কারণ রাজনৈতিক কৌশলে পিছিয়ে থাকা ও বিভিন্নরকম প্রতিকূলতা মোকাবেলা করা। অন্য কারণ খুঁজে লাভ নেই। এমনকী সামনে জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতও কৌশলের সঙ্গে লড়বে। তারা ইতোমধ্যেই ডিজিটাল মাঠে এগিয়ে আছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে বিএনপি যতটা রিল্যাক্স মুডে ছিল জাতীয় নির্বাচনে এমনটা হবে না।