এছাড়া গণ-অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হিসেবে রনি বলেন, ‘বিপ্লব সবসময় তার বিপ্লবীদের খেয়ে ফেলে।’
দীর্ঘ ১৭ বছরের এক ব্যাক্তির শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশের জনগন যখন মুক্তি চাচ্ছিল, যখন আমি-তুমি ডামি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগনের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির কফিনে শেষ পেরেক মারা হলো ঠিক তখনই অন্ধকারের মাঝে আলো নিয়ে আসলো আমাদের দেশের তরুন সমাজ, ছাত্র সমাজ
আহমেদাবাদে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় যখন ২৭৪ জন যাত্রী ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারান এবং ভারতজুড়ে শোক ও ক্ষোভের আবহ তৈরি হয়, তখন চোখ ফেরানো ছাড়া উপায় থাকে না বোয়িংয়ের নির্মাণ প্রক্রিয়া ও কর্পোরেট সংস্কৃতির দিকে।
তার মতে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন নিয়ে নানা টালবাহানা করেছেন এবং তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরিও করেছেন।
‘দুইটি নিয়ামতের ব্যাপারে অনেক মানুষ ধোঁকার মধ্যে আছে, স্বাস্থ্য এবং অবসর।’ (সহিহ বুখারি)
১৯৪৮ সালে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দ্বন্দ্ব চলে আসছে এবং এখন পর্যন্ত এই দ্বন্দ্বের কোনো প্রকৃত সুরাহা হয়নি। বিশ্বের শান্তিকামী মানুষ ইসরায়েলকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ক্যান্সার’ হিসেবেই বিবেচনা করে থাকেন।
গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজের কল্পলোক থেকে বাস্তব জগতে নেমে আসা এক নদীবেষ্টিত গ্রামের নাম সুকুরিজু। অ্যামাজন নদীর মুখে, ম্যানগ্রোভে ঘেরা এই স্থান যেন সময়ের বাইরে টিকে থাকা এক জৈব-সামাজিক বাস্তুতন্ত্র। এখানে জীবন চলে জোয়ার-ভাটার সঙ্গে, চন্দ্রচক্রের গতিপথে—প্রকৃতির এক অবিচ্ছেদ্য ছন্দে। অথচ এই সমন্বিত জীবনধারার বুকে বারবার থাবা বসিয়েছে এক আধুনিক দানব, তেল শিল্প। সুকুরিজু আজ দাঁড়িয়ে আছে অস্তিত্বের প্রান্তরেখায়—নতুন করে তেলের খননের পরিকল্পনা শুধু তার নিজস্ব জীবিকা ও সংস্কৃতিকেই নয়, গোটা অ্যামাজনের উপকূল ও বৈশ্বিক পরিবেশ ব্যবস্থা কে হুমকির মুখে ফেলেছে।
প্রাচীন কালের কথা, 'অল্প টাকার অভাব মানুষকে কষ্ট দেয়, আর অতিরিক্ত টাকার প্রাচুর্য তাকে অন্ধ করে।' আজকের সমাজে দাঁড়িয়ে এই কথাটি যে কতটা সত্য, তা আমরা প্রতিদিনের জীবনে প্রতিনিয়ত দেখতে পাই।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে সংঘটিত গণ-অভ্যুত্থান নিছক একটি ক্ষমতার পালাবদল নয়। এটি ছিল স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো একটি নতুন প্রজন্মের রাষ্ট্রচিন্তার বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিনের একদলীয় চরিত্রের সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। শুরুতে এই সরকারকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা হলেও আশাবাদ জন্মেছিল
রাশিয়ার ভূখণ্ডে এক নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে ইউক্রেন যুদ্ধের গতিপথে কৌশলগত মোড় এনে দিয়েছে। রবিবার শত শত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রুশ সামরিক ঘাঁটিগুলিতে ইউক্রেনের সমন্বিত ড্রোন হামলায় ধ্বংস হয়েছে অন্তত ৪১টি কৌশলগত বোমারু বিমান, যার মধ্যে টিইউ-৯৫, টিইউ-২২ এবং এ-৫০ এর মতো অত্যাধুনিক বিমান রয়েছে।