বাংলাদেশ একবিংশ শতাব্দীর একটি উন্নয়নশীল রাষ্ট্র, যেখানে নারী-পুরুষ সমতার প্রশ্ন আজ আর কেবল নীতিগত আলোচনা নয়,এটি বাস্তব জীবনের দাবি। শিক্ষা, কর্মসংস্থান, সামাজিক মর্যাদা,সবক্ষেত্রেই নারীর অংশগ্রহণ ক্রমবর্ধমান। অথচ উত্তরাধিকার আইনের ক্ষেত্রে এখনো একটি বড় বৈষম্য রয়ে গেছে, বিশেষত হিন্দু
মানবসভ্যতা আজ প্রযুক্তি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও উন্নয়নের এক চূড়ান্ত উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরা মহাকাশ জয় করছি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে ভবিষ্যৎ নির্মাণ করছি, আর বিশ্বায়নের মাধ্যমে একে অপরের কাছাকাছি আসছি। কিন্তু এই অগ্রগতির আবরণ ভেদ করে যখন কোনো নিষ্ঠুর, অমানবিক ঘটনার খবর সামনে আসে, তখন প্রশ্ন জাগে আমরা কি সত্যিই মানু
বাংলা বছর বা বাংলা সন অথবা বঙ্গাব্দ, যে নামেই ডাকা হোক না কেন বাংলা নববর্ষ হচ্ছে আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অহংকার। এই বাংলা সনের প্রবর্তক হলেন মুঘল সামাজ্যের তৃতীয় সম্রাট
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাবেক উপজেলা নির্বাহী অফিসার হোসনেয়ারার ভাইরাল অডিও সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। একটি অডিও কখনও কখনও শুধু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত টিকা গ্রহণের হার কমে যাওয়া, দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, জনঘনত্ব এবং অসচেতনতার কারণে মহামারিতে রূপ নিয়ে থাকে। সম্প্রতি বাংলাদেশে হামের কারণে প্রায় শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই মৃত্যুর কারণ হিসাবে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকা
বাংলাদেশের অর্থনীতির রপ্তানি কাঠামো একদিকে যেমন সাফল্যের গল্প, অন্যদিকে তেমনি ঝুঁকিরও নাম। স্বাধীনতার পর মাত্র কয়েক কোটি ডলারের রপ্তানি আয় থেকে আজ বাংলাদেশ বছরে প্রায় ৫৫ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়ের
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের এক মাস পূর্ণ হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই যুদ্ধ ও সংঘাত শুধুমাত্র ইরানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি; সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে। এই এক মাসে পুরো অঞ্চলে কয়েক হাজার মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে।
সিলিকন ভ্যালির রোদঝলমলে ল্যাবরেটরি থেকে শুরু করে ইরান বা ইউক্রেনের ধূলিধূসরিত রণক্ষেত্র—২০২৬ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর কেবল ভবিষ্যতের কল্পনা নয়,
২৬শে মার্চ—এ দিনটি কেবল ক্যালেন্ডারের একটি তারিখ নয়; এটি বাঙালির অস্তিত্বের অন্তঃস্থলে জ্বলে থাকা এক অমর প্রদীপ, এক অনিঃশেষ আলোকস্তম্ভ। ইতিহাসের গহ্বর থেকে উঠে আসা এই দিবস আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা কোনো আকস্মিক প্রাপ্তি নয়, বরং তা এক দীর্ঘ, রক্তাক্ত,
ইতিহাসের নির্মমতম অধ্যায়গুলোর মধ্যে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ এক অন্ধকার মহাকাব্য—যেখানে একটি জাতির অস্তিত্বকে পরিকল্পিতভাবে নিশ্চিহ্ন করার নীলনকশা বাস্তবায়নের সূচনা হয়েছিল। এই রাত কেবল একটি তারিখ নয়; এটি ছিল বাঙালি জাতিসত্তার বিরুদ্ধে পরিচালিত এক সুসংগঠিত, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের নগ্ন প্রকাশ।
ঈদ মানেই আনন্দ। দীর্ঘ কর্মব্যস্ততার পরে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করার, গ্রামের বাড়িতে কিছুদিন কাটানোর, কিংবা শহরের কোলাহল ছেড়ে দূরে কোথাও ঘুরে আসার এক অবকাশ। এবারের ঈদে যেহেতু একটানা
১৭ মার্চ—তারিখটি যেন কেবল কালের পৃষ্ঠায় অঙ্কিত একটি সংখ্যা নয়; বরং এটি এক সুদীর্ঘ গর্ভধারণের পর ইতিহাসের প্রসববেদনা থেকে জন্ম নেওয়া এক নামের উন্মোচন। সেই নাম—বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান—যেন কোনো একক ব্যক্তি নয়, বরং নদীমাতৃকার বুকফাটা জোয়ার, মাটির গভীরে ঘুমিয়ে থাকা আগ্নেয়গিরির ধৈর্য, আর অবদমিত উচ্চারণের এক সম্মিলিত বিস্ফোরণ।
আল-কুদস' দিবস হলো বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর জাগরণের দিন ও ফিলিস্তিন মুক্তির অঙ্গীকারের প্রতীক। এই দিনে বিশ্বজুড়ে জনগণের ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচি ফিলিস্তিনিদের আশা-আকাঙ্ক্ষা জাগ্রত রাখা এবং ইসরায়েলের প্রতি বিশ্ব মুসলমানের প্রতিবাদ প্রকাশের মাধ্যম হিসেবে পরিচিত। মজলুম