| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

অভয়নগরে সবজি-মাছের বাজারে অস্থিরতা, মরিচের দামে আগুন

reporter
  • আপডেট টাইম: অগাস্ট ২৪, ২০২৫ ইং | ১০:৫০:৫৭:পূর্বাহ্ন  |  ১৫২৩৪১৫ বার পঠিত
অভয়নগরে সবজি-মাছের বাজারে অস্থিরতা, মরিচের দামে আগুন
ছবির ক্যাপশন: যশোরের অভয়নগরের বাজারে নিত্যপণ্যের দামে আগুন

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের অভয়নগরের বাজারে নিত্যপণ্যের দামে আগুন লেগেছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচসহ সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। মাছ, মাংস ও ডিমের বাজারও অস্থির হয়ে পড়েছে।

রবিবার (২৪ আগস্ট) উপজেলার নওয়াপাড়া ও আশপাশের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। বেগুন ১২০ থেকে ১৫০, ওল ৮০ থেকে ১০০, করলা ৮০ থেকে ১০০, বরবটি ৬০ থেকে ৮০, লাউ প্রতিটি ৭০ থেকে ১০০, পটল ৫০ থেকে ৬০, ঝিঙে ৮০ থেকে ১০০, মিষ্টি কুমড়া ৫০ থেকে ৬০, রসুন ১০০ থেকে ১২০ এবং আলু ২৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি ১৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া মরিচ এখন বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৬০ টাকায়। খুচরা বিক্রেতারা বলছেন, আড়ৎ থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে। তবে ক্রেতারা অভিযোগ করছেন, বাজারে অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়ানো হচ্ছে।

মাছের বাজারে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি। গরিবের মাছ পাংগাশের দাম এখন কেজিতে ২২০ থেকে ২৪০ টাকা। এক কেজি ওজনের রুই বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৭০ টাকায়। বাটা, কাতলা, তেলাপিয়া, মৃগেলসহ সব মাছের দামই চড়া। মাছ কিনতে আসা সোহাগ নামের এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এভাবে দাম বাড়তে থাকলে মাছ না খেয়েই থাকতে হবে।’

সিন্ডিকেট করে মাছের দাম বাড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করে নওয়াপাড়ার আড়তদার কামরুজ্জামান বলেন, “অতিরিক্ত বৃষ্টিতে মাছের ঘের ডুবে গেছে। উৎপাদন ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।”

এদিকে মাংস ও ডিমের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। এক সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে প্রতি কেজি ১৮০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে সোনালি ও দেশি মুরগির দামও। প্রকারভেদে ডিমের ডজনপ্রতি দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৮ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, বাজার মনিটরিংয়ের অভাবে আড়ৎ থেকে খুচরা পর্যন্ত দামের বিশাল পার্থক্য তৈরি হয়েছে। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়ে সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলেছে।

অভয়নগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন জানান, জলাবদ্ধতা ও অতি বৃষ্টিতে উপজেলার প্রায় ৭০ হেক্টর কৃষিজমির ফসল নষ্ট হয়েছে। ফলে সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ কমে গেছে। তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি কমে গেলে সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি।’


রিপোর্টার্স ২৪/ প্রীতিলতা

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪