রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, রাজনৈতিক ঐক্য ছাড়া পাথর লুট ঠেকানো সম্ভব নয়। যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক না কেন জনগণের সমর্থন থাকলে দখল-উচ্ছেদ করা সম্ভব।
শনিবার (০৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীতে 'নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশ' আয়োজিত বেস্ট আরবান রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
চলনবিল প্রসঙ্গে সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, এই বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত গ্রহণ শেষ হয়নি। এ ছাড়া দুটি এলাকা বাদে নদীর তালিকা করা হয়েছে। তুরাগ নদীতে ১৭ কিলোমিটার ড্রেজিং করা হবে বলেও জানান উপদেষ্টা।
তিনি আরও বলেন, বাকখালী নদীকে কারা দখল করে বহুতল ভবন গড়লো। কেন গত ১৫ বছরে বাধা দেওয়া হলো না। কোন রাজনৈতিক দলের পৃষ্ঠপোষকতায় এই নদী দখল করা হলো?
পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, দেশের দূষণ ও দখল হওয়া নদীগুলোর তালিকা করছে নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট। এজন্য তাদের গবেষণার জন্য ৪ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। যা আগে ছিল মাত্র ৪৫ লাখ টাকা। ফলে প্রায় ১৪৫ জন জনবল নিয়েও তারা তেমন কোনো গবেষণা করতে পারেনি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দেশ রূপান্তর সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, সমকালের বিশেষ প্রতিবেদক অমিতোষ পাল, স্থপতি ইন্সটিটিউটের সাবেক নগরায়ন ও পরিবেশ সম্পাদক সুজাউল ইসলাম খান, বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যায়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল্লাহ ও ইউএনডিপির বাংলাদেশের প্রজেক্ট ম্যানেজার ইয়ুগেস প্রানাধাং
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম